বাংলা হেডলাইনস বগুড়া প্রতিনিধি: বগুড়া সদরের ফাঁপোড় ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মমিনুল ইসলাম রকির খুনিদের দ্রুত গ্রেফতার, বিচার ও ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।
রোববার দুপুরে নিহতের আত্মীয়-স্বজন ও ফাঁপোড় ইউনিয়নের সর্বস্তরের জনগণ হাটখোলা মাঠে এ মানববন্ধনে অংশ নেন।
সাবেক শিক্ষা কর্মকর্তা একেএম মোশাররফ হোসেনের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে অন্যান্যের মধ্যে ফাঁপোড় ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রভাষক মহররম আলী, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি রাজু মন্ডল, প্রচার সম্পাদক শাহজাহান আলী, রকির স্ত্রী স্বর্ণা বেগম, আপেল মাহমুদ, রেজাউল হক ঠান্ডা, অ্যাডভোকেট কামাল হোসেন, প্রভাষক শফি মাহমুদ, মঞ্জুরুল হক সোনা, আওলাদ হোসেন রানা, জাহেদ ফকির, জামাল উদ্দিন, ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি বিরণ, সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান তুহিন, বাবু মিয়া প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
বক্তারা বলেন, আমরা এমন নৃশংস হত্যাকান্ড আগে দেখিনি। যে মানুষ এলাকার গরীব ও অসহায় মানুষের পাশে থেকে তাদের সার্বিকভাবে সহযোগিতা করতেন তাকে কিছু মানুষ রূপী শয়তান হত্যা করেছে। ওই হত্যাকারীদের স্থান ফাঁপোড়ের মাটিতে হবেনা। বক্তারা এ ইউনিয়নে মাদক বিক্রি, সেবন, সন্ত্রাসী কর্মকান্ডে জড়িত ও দাদন ব্যবসায়ীদের অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেন।
এসব কর্মকান্ডে জড়িতদের যেখানে পাওয়া যাবে সেখানে আটক করে পুলিশে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তারা আওয়ামী লীগ নেতা রকির খুনিদের অবিলম্বে গ্রেফতার ও তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।
বগুড়া সদর উপজেলার ফাঁপোড় ইউনিয়নের আগামী নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী আওয়ামী লীগ নেতা মমিনুল ইসলাম রকি এলাকায় মাদকসেবী, বিক্রেতা ও দাদন ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে অবস্থান নেন।
এ কারণে চিহ্নিত মাদকসেবী ও ব্যবসায়ী গাউসুল আজমের নেতৃত্বে ২২ জনের একদল সন্ত্রাসী গত ২৭ জুলাই রাতে হাটখোলা এলাকায় নৃশংসভাবে কুপিয়ে হত্যা করে।
এ ঘটনায় নিহতের ভাই রুকু ইসলাম সদর থানায় ১০ জনের নামে ও অজ্ঞাত ১০-১২ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। র্যাব-১২ বগুড়া কোম্পানীর সদস্যরা আগ্নেয়াস্ত্র ও দেশীয় অস্ত্রসহ গাউসুল আজম ও অন্য ছয়জনকে গ্রেফতার করেন।
এছাড়া সদর থানা পুলিশ একজনকে গ্রেফতার করেছে। তাদের রিমান্ডের আবেদন করা হয়েছে। সদর থানার ওসি সেলিম রেজা জানান, অন্য আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।