বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:২৪ পূর্বাহ্ন
পরীক্ষামূলক সম্প্রচার:
জাতিসংঘের অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্কের পথে প্রধানমন্ত্রী জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো ছাড়া কোনো বিকল্প ছিল না : প্রতিমন্ত্রী ন্যাম ভবন থেকে এমপি নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রীর লাশ উদ্ধার গণভোটের রায় পাশ কাটিয়ে সংবিধান সংশোধন নয় : জামায়াত ককটেল বিস্ফোরণ, অগ্নিসংযোগ অপতৎপরতায় সরকার শংকিত নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজধানীতে নিরাপত্তা জোরদার, বসানো হয়েছে ২০০ চেকপোস্ট আট দফা যেকোনো সময় এক দফায় পরিণত হতে পারে: জামায়াত আমির গণতান্ত্রিক সমাজে সমালোচনা গ্রহণের মানসিকতা গুরুত্বপূর্ণ: আইনমন্ত্রী শান্তিপূর্ণ গণতান্ত্রিক কর্মসূচিতে কোনোভাবেই যেন বাধা না হয়: জামায়াত ইউপি নির্বাচনের সময়সীমা পর্যালোচনা করা হবে: ইসি সানাউল্লাহ

টাঙ্গাইলে বন্যা পরিস্থিতি উন্নতি তবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এখনও পানি

  • আপডেট টাইম : বুধবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ৩৯৯ দেখা হয়েছে

বাংলা হেডলাইনস টাঙ্গাইল প্রতিনিধি: টাঙ্গাইলে যমুনাসহ প্রধান নদীগুলোর পানি কমতে শুরু করায় জেলার বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে।

তবে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মাঠ, শ্রেনীকক্ষ আর রাস্তাঘাট পানির নিচে থাকায় শিক্ষার্থীদের ক্লাসে ফেরা অনেকটা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।

ফলে করোনায় প্রায় দেড় বছর স্কুল বন্ধ থাকার পর তা খোলার সিদ্ধান্ত হলেও স্কুলে যাবার আনন্দ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে এসব বিদ্যালয়ের কোমলমতি শিশুরা।

অনেক স্কুলের মাঠে এখনো কোমর পানি। স্কুলে যাওয়ার রাস্তাগুলি হাটু পানির নীচে। আর শ্রেনীকক্ষের বেঞ্চগুলো রয়েছে পানির নিচে।

জেলার চরাঞ্চল ও নিচু এলাকার অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের চিত্র প্রায় একই রকম।

ফলে আগামী ১২ সেপ্টেম্বর শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলা হলেও বন্যা কবলিত এসব স্কুলের ছাত্রছাত্রীরা সহসা ক্লাসে ফিরতে পারছেনা সেটা অনেকটাই নিশ্চিত।

বর্তমান এ পরিস্থিতিতে শিশুদের স্কুলে পাঠানো খুবই ঝুঁকিপূর্ণ ও অনিরাপদ  বলে মনে করছেন অভিবাবকরা। যদিও এসব বাঁধা মানতে নারাজ শিক্ষার্থীরা। দীর্ঘদিন পর স্কুল খুলছে, সেটাই তাদের কাছে সবচেয়ে আনন্দের বিষয়।

জেলার  ৩৬৬ টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পানি প্রবেশ করেছে। এরমধ্যে ৩৪টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শ্রেনীকক্ষে এখনো পানি রয়েছে। অপরদিকে ৮৭টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় বন্যা কবলিত হয়ে পড়েছে।

কিছু কিছু বিদ্যালয়ের পানি নেমে গেলেও রাস্তাঘাট ও বসতবাড়িতে এখনো পানি থাকার কারনে শিক্ষার্থীদের একটা অংশ ক্লাসে না ফেরার সংশয় রয়েছে শিক্ষকদের মাঝে।

মোহাম্মদ আলী আহসান, সহকারী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বলেন আমরা একটি বৈশ্বিক মহামারী অতিক্রম করছি ।ইতিমধ্যেই আমাদের দেশে মহামারীর অবস্থা অনেকটাই ভালো হয়ে উঠেছে । এমনকি জেলার সার্বিক বন্য পরিস্থিতিও উন্নতি হয়েছে ।

আমরা আশা করছি যে আগামী ১২ তারিখে স্কুলগুলি আবার ক্লাশ শুরু হবে ।১২ সেপ্টেম্বর স্কুল খোলার সকল প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে। যে কোন উপায়ে ছাত্রছাত্রীদেরকে স্কুলে আনা হবে বলে আশা করছেন জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস।

নানা প্রতিকুলতার মাঝে দীর্ঘদিন পরে শিক্ষার্থীরা তাদের প্রিয় স্কুল প্রাঙ্গণে ফিরে আনন্দে মেতে উঠবে এমনটাই প্রত্যাশা সকলের।

ফেসবুকের মাধ্যমে আমাদের মতামত জানাতে পারেন।

খবরটি শেয়ার করুন..

এই বিভাগের আরো সংবাদ
Banglaheadlines.com is one of the leading Bangla news portals, Get the latest news, breaking news, daily news, online news in Bangladesh & worldwide.
Designed & Developed By Banglaheadlines.com