বাংলা হেডলাইনস গাজীপুর প্রতিনিধি : ‘রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও প্রতিহিংসায় মিথ্যা ও বানোয়াট খবরকে সামনে রেখে গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগে অসন্তোষ সৃষ্টি ও অনৈক্য তৈরি করা হচ্ছে। এতে দলের ভাবমূর্তি ও শৃঙ্খলা নষ্ট হচ্ছে। এমনটা চলতে থাকলে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলের প্রার্থীর নির্বাচনী বৈতরণী পার হওয়ার অন্তরায় হবে।’
শনিবার বিকালে গাজীপুর জেলা পরিষদ মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলন ডেকে এসব কথা বলেছেন কাপাসিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান এবং জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহসভাপতি ও জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট হোসেন খান।
তিনি আরো বলেন ‘কাপাসিয়া উপজেলা চেয়ারম্যানের দায়িত্ব নিয়ে তিন বছর অধিককাল ধরে জনগণের কল্যাণে এবং বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করার মধ্য দিয়ে জনগণের পাশে থাকতে চেষ্টা করছি। এর মধ্যে ঘাত- প্রতিঘাত অনেক আছে এবং থাকবে এটাই স্বাভাবিক। ঘাত-প্রতিঘাত পেরিয়েই আমাদেরকে চলতে হবে। গত ১৮ জুলাই একটি জাতীয় দৈনিকের প্রথম সংস্করণে আমার নামে একটি নিউজ হয়। ওই নিউজে আমাকে উদ্ধৃত করে কিছু কথা ছাপানো হয়। বাস্তবতা হলো, ওই পত্রিকার সাথে আমি এই ধরনের কোন সাক্ষাৎকার বা কোন গল্প কোনদিন করিনি এবং করার সুযোগ হয়নি। যাইহোক, আমার অনেক রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী রয়েছে। হয়তোবা বিগত সময়ে যারা এই পদে আসার চেষ্টা করেছিলেন বা আসার সুযোগ হয়নি কিংবা আগামীতে আসার ইচ্ছা রয়েছে এবং কাপাসিয়া ও জেলার রাজনীতিতে আমার অনেক প্রতিদ্বন্দ্বী রয়েছে। বিগত জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনে আমি জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী ছিলাম। স্থানীয় সংসদ সদস্যের সাথে আমার সম্পর্কের অবনতি ঘটিয়ে তৃতীয় পক্ষের কেউ কেউ তাদের স্বার্থ হাসিলের জন্য হয়তো কল্পনা প্রসূত নিউজটি করানো হয়েছে।’
‘আর এটিকে কেন্দ্র করে স্থানীয় আওয়ামী লীগ আমার বিরুদ্ধে মিছিল মিটিং, অসন্তোষ সৃষ্টি করেছে। এই নিউজ এর প্রেক্ষিতে আমি ওই পত্রিকায় প্রতিবাদ পাঠিয়েছি এবং থানায় জিডি করেছি। আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী হয়ে উপজেলা চেয়ারম্যান হয়েছি। আমার বিরুদ্ধে মিছিল- মিটিং করে একদিকে আমার ভাবমূর্তি নষ্ট করা হচ্ছে। অন্যদিকে আওয়ামী লীগের ভাবমূর্তি এবং শৃঙ্খলা নষ্ট করা হচ্ছে। দলের বৃহত্তর স্বার্থে এবং আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে নিজেদের মধ্যে অন্ত:কলহ, অন্তরদ্বন্দ্ব বা সম্পর্কের অবরতি হলে নির্বাচনী বৈতরণী পার হওয়ার অন্তরায় হবে। তাই স্থানীয় আওয়ামী লীগের দায়িত্বশীল নেতৃবৃন্দ মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন নিউজকে সামনে না রেখে দলকে ঐক্যবদ্ধ রাখার চিন্তায় যেন তারা দায়িত্ব পালন করেন।’