শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ০৬:৪৩ পূর্বাহ্ন
পরীক্ষামূলক সম্প্রচার:
সংসদকে ব্যর্থ হতে দেওয়া যাবে না: প্রধানমন্ত্রী ১৯৭৮ সালে জন্ম নেওয়া বিএনপি কীভাবে ‘মুক্তিযুদ্ধের দল’: সংসদে প্রশ্ন আজহারের ‘শহীদ পরিবারের লোক জামায়াত করতেই পারে না’: ফজলুর বক্তব্যে উত্তপ্ত সংসদ গণভোট নিয়ে বিভ্রান্তকারীদের প্রশ্রয় না দেওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর নৈশভোজে হামলাকারী ঘোর খ্রিষ্টানবিরোধী: ট্রাম্প ফ্লোরিডায় লিমনের সঙ্গে বৃষ্টিকেও হত্যা পাকিস্তানে মার্কিন প্রতিনিধি দলের সফর বাতিল: ট্রাম্প বাংলাদেশে ২০২৫ সালে ‘তীব্র খাদ্য নিরাপত্তাহীনতায়’ ছিল দেড় কোটির বেশি মানুষ স্ক্রিনশট পোস্ট করা নিয়ে ঢাবি ক্যাম্পাসে ছাত্রদল-শিবির উত্তেজনা, মারধর জ্বালানি পরিস্থিতি নিয়ে বিরোধী দলের সঙ্গে বসার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর

সংসদকে ব্যর্থ হতে দেওয়া যাবে না: প্রধানমন্ত্রী

  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৭ দেখা হয়েছে
ফাইল ছবি।


বাংলা হেডলাইনস: বর্তমান জাতীয় সংসদকে অকার্যকর হওয়া থেকে রক্ষা করতে সব সংসদ সদস্যদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও সংসদনেতা তারেক রহমান।
বৃহস্পতিবার রাতে ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশনের সমাপনী অনুষ্ঠানে তিনি এ আহ্বান জানান।
তিনি বলেন, ‘‘বর্তমান প্রেক্ষাপটে যেখানে ৩০ লক্ষ কোটি টাকার ঋণ নিয়ে এই সংসদ দেশ পরিচালনা শুরু করেছে, সেই দেশকে আমরা এগিয়ে নিতে পারব না (যদি না) আমরা একটি স্থিতিশীল সরকার না রাখি। আমরা যদি একটি স্থিতিশীল সংসদ নিশ্চিত করতে না পারি, আমরা কোনোভাবেই এই দেশকে সামনে নিয়ে যেতে পারব না। সংসদকে ব্যর্থ হতে দেওয়া যাবে না।”
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘‘এই দেশকে যদি সামনে নিতে হয়, তাহলে অবশ্যই আমাদের উভয়পক্ষকে একসাথে কাজ করতে হবে।
“হ্যাঁ, বাংলাদেশে আইটি শিল্পের বিকাশ কীভাবে হবে এ ব্যাপারে হয়ত আমাদের মধ্যে বিতর্ক হতে পারে- এ ব্যাপারে আমাদের মধ্যে দ্বিমত থাকতে পারে। কিন্তু বাংলাদেশের আইটি শিল্পের বহিঃপ্রকাশ হতে হবে এ ব্যাপারে আমাদের মধ্যে নিশ্চয়ই কোনো বিতর্ক নেই।”
চব্বিশের আন্দোলনে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর দ্বাদশ সংসদ ভেঙে দেওয়া হয়। অন্তর্বর্তী সরকারের দেড় বছরের পথ পেরিয়ে ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের মাধ্যমে গঠন করা হয় ত্রয়োদশ সংসদ। এরপর ১২ মার্চ বসে নতুন সংসদের প্রথম অধিবেশন।
এই অধিবেশনের সমাপনী দিনে সংসদ নেতার বক্তৃতায় তারেক রহমান বলেন, ‘‘১৯৭১ সালে এই দেশ যখন স্বাধীন হয়েছে এই মুহূর্তে আমরা বিভিন্ন বিবেচনায় আমাদের দেশকে যদি স্ট্যান্ডার্ডে ধরি আমাদের মতন অনেক দেশ ছিল যারা হয়তো ১৯৭২-৭৩ সালে স্বাধীন হয়েছিলো তারা আমাদের থেকে এগিয়ে গিয়েছে। আমরা পারিনি কেন? কারণ বিভিন্নভাবে এই দেশকে একটু আগেই যেটা বলেছি, বাধাগ্রস্ত করা হয়েছে গণতন্ত্রকে।”
বিরোধী দলীয় নেতার প্রতি আহ্বান রেখে তিনি বলেন, ‘‘গণতন্ত্র বাধাগ্রস্ত যদি হয়- গণতন্ত্র প্রতিবার বাধাগ্রস্ত হলে অর্থনীতি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য সবকিছু বাধাগ্রস্ত হবে।
“আপনার মাধ্যমে আমি বিরোধীদলীয় সহকর্মীদের কাছে আহ্বান জানাতে চাই, আসুন আমরা ডিবেট করব, আমরা বিতর্ক করব, আমরা আলাপ করব, আমরা আলোচনা করব, আমরা বসব, আমরা কথা বলব কিন্তু কোনভাবেই এই সংসদকে ব্যর্থ হতে দেওয়া যাবে না।”
অতীতের উদাহরণ টেনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘‘অতীতে আমরা দেখেছি, সরকারকে ব্যর্থ করার জন্য ১৭৩ দিন হরতাল ডাকা হয়েছিল। হ্যাঁ, সেই সরকার হয়তবা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল, সরকার হয়ত পরবর্তীতে ক্ষমতায় থাকেনি, ক্ষমতায় আসেনি কিন্তু কেউ একজন সদস্য সেটি আমার দলের সদস্য হোক, সেটি বিরোধী সদস্যরা হোক বুকে হাত দিয়ে বলতে পারবেন যে, বাংলাদেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি? ১৭৩ দিনের হরতালে বাংলাদেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে যেই ক্ষতির মাসুল আজও আমাদেরকে টেনে নিয়ে যেতে হচ্ছে- বছরের পর বছর, যুগের পর যুগ।”
ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশনে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বক্তব্য রাখেন। সংসদের কার্য উপদেষ্টা কমিটির বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয় রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর সরকার ও বিরোধী দলের সদস্যরা ৫০ ঘণ্টা বক্তব্য রাখবেন। ১২ মার্চ সংসদ শুরুর প্রথম দিনে রাষ্ট্রপতির এ ভাষণের পর থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত তারা বক্তব্য রাখেন।
অধিবেশনের এসময়কালে সরকার ও বিরোধী দলের মধ্যে বেশ কিছু বিষয় নিয়ে বিতর্ক হয়। কয়েক দফায় বিরোধী দল ওয়াক আউটও করে।
বৃহস্পতিবার স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে বেলা ১১টায় প্রথম অধিবেশেনের শেষ দিনের বৈঠক শুরু হয়। নামাজের জন্য তিন দফা বিরতি দেওয়া হয়। সন্ধ্যায় নামাজের বিরতির পর ৭টা ২০ মিনিটে সমাপনী বক্তব্য দেন বিরোধী দলীয় নেতা শফিকুর রহমান।
সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সমাপনী বক্তব্য দেওয়া শুরু করেন রাত ৮টা ২০ মিনিটে, শেষ করেন ৯টা ১০ মিনিটে।
প্রায় এক ঘণ্টার বক্তব্যে তারেক রহমান বলেন, ‘‘মাননীয় স্পিকার আজকে এই মুহূর্তে আমার দলের সদস্যরা এবং ক্ষেত্রবিশেষে আমি দেখছি বিরোধী দলের বন্ধুরাও আমার কিছু কিছু কথায় টেবিল থাপড়াচ্ছেন। মাননীয় স্পিকার এই যে চেয়ারটা আপনি দেখছেন এই চেয়ারে আমি এখানে বসছি আপনার সামনে- চেয়ারটি খুব কঠিন একটি চেয়ার। এই চেয়ার দেখলে মনে হয় বসতে খুব আরাম। আসলে মাননীয় স্পিকার মোটেও আরামের না।
“এই চেয়ারটিতে বসলে প্রতি মুহূর্তে মনে হয় যে আগুনের তপ্ত হিট আসছে। হাসির কিছু নেই- আমি যা ফিল করি, আমি আপনাদেরকে তাই বলছি। এই চেয়ারের থেকে উঠে দাঁড়িয়ে আপনার সামনে বক্তব্যে আমি হয়তো অনেক পপুলার কথা বলতে পারতাম যেটাতে আরো অনেক বেশি তালি হতো। কিন্তু এই চেয়ার আমাকে বলে যে আমি সবসময় পপুলার কথা বলতে পারি না- আমাকে সেটাই বলতে হবে। একজন রাজনীতিবিদ হিসেবে আমার ইচ্ছা করে পপুলার কথা বলতে- যাতে জোরে জোরে তালি পাই।”
তিনি বলেন, ‘‘এই চেয়ার প্রতি মুহূর্তে আমাকে স্মরণ করে দেয়- নো ইউ হ্যাভ টেক দা রাইট ডিসিশন, নট দা পপুলার ডিসিশন।
“আপনার মাধ্যমে আজকে এই সংসদের এই সবুজ চেয়ারে যারা বসে আছেন আমি মনে করি, আজকে বোধহয় আমাদেরকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে যে, আসুন আমরা পপুলার ডিসিশনে আলাপ করব না। আমরা আলাপ করব সঠিক ডিসিশনের ব্যাপারে, রাইট ডিসিশনের ব্যাপারে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘‘এই অধিবেশনের শেষ দিন আজকে। সংসদ নেতা হিসেবে আমার দলের সদস্যদের কাছে, বিরোধীদলীয় বন্ধুদের কাছে সহকর্মীদের কাছে সদস্যদের কাছে অনুরোধ থাকবে যে, আসুন আগামী অধিবেশন যেটি শুরু হবে সেখানে আলোচনা করব কত দ্রুত দেশে বিদ্যুতের সমস্যার সমাধান করতে পারি।
“আমি আলাপ করতে চাই আগামী সংসদে কত দ্রুত আমরা কত বেশি সংখ্যক মানুষের কর্মসংস্থান দেশেই হোক, বিদেশে হোক তৈরি করতে পারি। এই সংসদে দাঁড়িয়ে আমি আলাপ করতে চাই যে, আমাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আমাদের হাসপাতালগুলোতে কত দ্রুত শিক্ষা এবং চিকিৎসা সুবিধা আমরা পৌঁছে দিতে পারি।”
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘‘আমার সরকারের অবস্থান থেকে আবার পরিষ্কার করে দিতে চাই যে, আমরা সবসময় সকল সময় প্রস্তুত আছি বিরোধী দলের সদস্যের সাথে বাংলাদেশের স্বার্থে বাংলাদেশের মানুষের সাথে যেকোন আলাপ আলোচনায় অংশগ্রহণ করার জন্য এবং আলাপ আলোচনার ভিত্তিতেই আলাপ আলোচনার ভিত্তিতে উভয়ে সকলে একসাথে এই দেশকে ইনশআল্লাহ সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাব।
“এই দেশের মানুষের প্রত্যাশা পূরণ করার আমাদের সর্বশক্তি দিয়ে চেষ্টা করব।”
ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশন সফল করার জন্য স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার, বিরোধী দলীয় নেতা, সরকারি ও বিরোধী দলের সদস্য, সংসদ সচিবালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারি, গণমাধ্যম, সশস্ত্র বাহিনী, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ সংশ্লিষ্টদের প্রতি ধন্যবাদ জানান প্রধানমন্ত্রী।
সমাপনী বক্তৃতায় তিনি ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের স্কুল ড্রেস-ব্যাগ প্রদান, খাল খনন কর্মসূচি, স্বাস্থ্য সেবাসহ বিএনপির নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু করা এবং এর অর্থ সংস্থান কীভাবে করা হয়েছে তা তুলে ধরেন।
তিনি বলেন, ‘‘আমাদের লক্ষ্য এক, আমাদের উদ্দেশ্যে এক, গন্তব্য এক।”
বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান ও বিরোধীদলীয় উপনেতা সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহেরের নির্বাচনি এলাকার সমস্যাগুলো সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীকে (স্থানীয় সরকার মন্ত্রী) নির্দেশনা দেওয়ার কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘‘এই সরকার জনগণের সরকার।”
বিরোধী দল থেকে ডেপুটি স্পিকার পদ দেওয়ার সরকারি প্রস্তাব আবারও তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘‘সমগ্র বাংলাদেশ এই সংসদের দিকে তাকিয়ে আছে। তাকিয়ে আছে একটি সুন্দর ভবিষ্যতের জন্য, তাকিয়ে আছে একটি সমৃদ্ধশালী বাংলাদেশের জন্য। সে কারণেই আমরা মনে করি এটি হয়ত বোঝার ভুল হতে পারে বা দেখার ভুল হতে পারে। হতেই পারে মানুষ মাত্র ভুল হতেই পারে কিন্তু আমাদের পক্ষ থেকে সরকারের পক্ষ থেকে আমি বলেছি- আমি বলবো এবং বলছি ইনশাআল্লাহ ভবিষ্যতেও বলবো- এখনো বর্তমানেও বলছি, আমরা চাই আমরা একসাথে কাজ করব।
“যতবারই গণতন্ত্র চলতে শুরু করেছিল বিভিন্ন সময় গণতন্ত্র বাধাগ্রস্ত হয়েছে। গণতন্ত্র যতবারই বাধাগ্রস্ত হয়েছে দেশের অর্থনীতি বাধাগ্রস্ত হয়েছে। গণতন্ত্র যতবারই বাধাগ্রস্ত হয়েছে দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা বাধাগ্রস্ত হয়েছে। গণতন্ত্র যতবারই বাধাগ্রস্ত হয়েছে দেশের মানুষের কর্মসংস্থান বাধাগ্রস্ত হয়েছে।
“কাজেই এই মুহূর্তে আমরা সকলে যদি গিয়ে একটি সাধারণ মানুষকে জিজ্ঞেস করেছি তুমি কি চাও? আমি বিশ্বাস করি একজন সাধারণ মানুষ বলবে আমরা শান্তি চাই, একজন সাধারণ মানুষ বলবে আমরা নিরাপদ রাস্তা চাই।”
এ বিষয়ে আরও ব্যাখ্যা দিয়ে তারেক রহমান বলেন, “একজন সাধারণ মানুষ বলবে লেখাপড়া শেষ করে একটি কর্মসংস্থান চাই। একজন গৃহিণী বা একজন নারী বলবে নিরাপদে রাস্তায় যেতে চাই। আজকে আমরা ইতিহাস নিয়ে হয়ত অনেক ডিবেট করেছি। কিন্তু আমাদের এই ইতিহাসের ডিবেটে সেই হামে অসুস্থ বাচ্চার মায়ের মন কি শান্ত করতে পারবে? পারবে না।
“যত না রাজনৈতিক ডিবেট চায়, যত না রাজনৈতিক বিভিন্ন বক্তব্য চায় তার চাইতে তারা তাদের সমস্যার সমাধান চায়।”
ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশনে সংসদের কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ বিভিন্ন সংস্থা ও ব্যক্তিকে সন্মানি দিতে বিরোধীদলীয় নেতার প্রস্তাব সমর্থন করেন সংসদ নেতা।
চব্বিশের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর দেশকে সুশৃঙ্খল রাখার জন্য সশন্ত্র বাহিনী ও সেনাবাহিনী, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকার প্রশংসা করে তাদেরকে ধন্যবাদ দেন প্রধানমন্ত্রী।
বক্তব্যের শেষে সংসদ সদস্যের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “আসুন এই সবুজ চেয়ারের পবিত্রতা রক্ষা করি। যে দায়িত্ব, যে প্রত্যাশা, যে আশা নিয়ে বাংলাদেশের মানুষ এখানে পাঠিয়েছে এখানে আসুন আমরা সেই দায়িত্বের সর্বোচ্চ সন্মান আমরা প্রদর্শন করি। যার মাধ্যমে দেশের মানুষের প্রতি সন্মান প্রদর্শন করব। কারণ দেশ ও জনগণ থাকলেই আমরা আছি, দেশ ও জনগণকে যদি সন্মান না করি তাহলে আমাদের রাজনীতিই ব্যর্থ হয়ে যাবে।”
সংসদ নেতার এ বক্তব্যের মধ্যে সংসদ সদস্যরা টেবিল চাপড়িয়ে অভিনন্দন জানান।

ফেসবুকের মাধ্যমে আমাদের মতামত জানাতে পারেন।

খবরটি শেয়ার করুন..

এই বিভাগের আরো সংবাদ
Banglaheadlines.com is one of the leading Bangla news portals, Get the latest news, breaking news, daily news, online news in Bangladesh & worldwide.
Designed & Developed By Banglaheadlines.com