বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:৪১ অপরাহ্ন
পরীক্ষামূলক সম্প্রচার:
১৯৭৮ সালে জন্ম নেওয়া বিএনপি কীভাবে ‘মুক্তিযুদ্ধের দল’: সংসদে প্রশ্ন আজহারের ‘শহীদ পরিবারের লোক জামায়াত করতেই পারে না’: ফজলুর বক্তব্যে উত্তপ্ত সংসদ গণভোট নিয়ে বিভ্রান্তকারীদের প্রশ্রয় না দেওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর নৈশভোজে হামলাকারী ঘোর খ্রিষ্টানবিরোধী: ট্রাম্প ফ্লোরিডায় লিমনের সঙ্গে বৃষ্টিকেও হত্যা পাকিস্তানে মার্কিন প্রতিনিধি দলের সফর বাতিল: ট্রাম্প বাংলাদেশে ২০২৫ সালে ‘তীব্র খাদ্য নিরাপত্তাহীনতায়’ ছিল দেড় কোটির বেশি মানুষ স্ক্রিনশট পোস্ট করা নিয়ে ঢাবি ক্যাম্পাসে ছাত্রদল-শিবির উত্তেজনা, মারধর জ্বালানি পরিস্থিতি নিয়ে বিরোধী দলের সঙ্গে বসার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর জাতীয় সংসদে ছাত্রদল-শিবির সংঘর্ষে ‘পা কেটে নেওয়ার’ অভিযোগ

নিহত মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের আর্তনাদ

  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ৮ নভেম্বর, ২০১৯
  • ১০০৪ দেখা হয়েছে

বাংলা হেডলাইনস টাঙ্গাইল প্রতিনিধিঃ বীর মুক্তিযোদ্ধা বঙ্গবন্ধু হত্যার সশস্ত্র প্রতিবাদকারী ফারুক আহমদকে ছয় বছর আগে নির্মমভাবে হত্যা পর আজও তাঁর পরিবারের সদস্যরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন খুনিরা তাদের পিছু ছাড়েনি।

নিহত ফারুকের পরিবারের সদস্যরা শুক্রবার তাঁদের বর্তমান রুঢ় বাস্তবতার কথা  তুলে ধরলেন সাংবাদিকদের কাছে ।

“আমার কোন আন্দোলনকারী না থাকলেও, মামলা মামলার জায়গায় থাকবে। আমার কোন আন্দোলনকারীর প্রয়োজন নেই। আমি জানি আমি আমার স্বামী হত্যার বিচার পাবো এবং তা টাঙ্গাইলের সবাই দেখতে পারবে। খুনিদের মত নতুন করে কেউ আর যেন না গজাতে পারে সেটা খেয়াল রাখতে হবে”, নিহত বীর মুক্তিযোদ্ধা আওয়ামী লীগ নেতা ফারুক আহমদের বিধবা স্ত্রী নাহার আহমদ সকালে টাঙ্গাইল প্রেস ক্লাবে এক সাংবাদিক সম্মেলনে এই মন্তব্য করেন”। ফারুক সাপ্তাহিক মূলস্রোত পত্রিকার প্রকাশক ছিলেন।

তিনি বলেন ফারুক হত্যার বিচারের আন্দোলন করে অনেকেই অনেক কিছু হয়েছেন। কিন্তু ফারুক পরিবারের দিকে কে তাকিয়ে দেখছে ? সামান্যতম ন্যায় বিচারটাও আমরা পাই না। কেন পাই না ? এখন কি আমরা উনাদের কাছে জঞ্জাল হয়ে গেছি?

সাংবাদিক সম্মেলনে ফারুক আহমদের কন্যা ফারজানা আহমদ বলেন, আপনারা সবাই জানেন, “গত ১৮ জানুয়ারি ২০১৩ সালে আমার পিতা ফারুক আহমদকে, খান পরিবারের গুন্ডারা নির্মমভাবে হত্যা করে। এরপর থেকেই  আমি এবং আমার পরিবারের সদস্যরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি । এরপরও আমরা বাংলাদেশের একজন সাধারণ নাগরিকের মত জীবনযাপন করার আপ্রাণ চেষ্টা করে আসছি। কিন্তু খুনি খান পরিবার এখনও আমাদের পিছু ছাড়েনি”।

তিনি বলেন তাদের (খুনি) কিছু লোক প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে আমাদেরকে নানাভাবে কোণঠাসা করে রেখেছে। আমার মা চলতি বছরের আগস্ট মাস থেকে পৌরসভার থেকে নকশা পাশ করে যাবতীয় নিয়মকানুন মেনে বাড়ির কাজ শুরু করে। কাজ শুরু করার পর থেকেই আমাদের উপর আশেপাশের প্রতিবেশি দিয়ে খান পরিবার নানা প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি করছে। খান পরিবার চাচ্ছে না যে আমরা স্থায়ীভাবে এ এলাকায় বাস করি।

ফারজানা বলেন এর আগেও আমি , আমার মা এবং আমার পরিবারের সদস্যরা নানা হুমকির মুখে ৭ মাস বাড়িছাড়া ছিলাম। ফারজানা বলেন এখন আমার মা যখন নতুন বাড়ি করা শুরু করছে ঠিক তখনই প্রতিবেশি এডভোকেট বজলু ও তার স্ত্রী মিসেস বজলু ও তার অনুগতরা খান পরিবারের মদদে আমরা যাতে বাড়ি করতে না পারি সে চেষ্টা করছে। এক পর্যায়ে তাদের আচরণ এমন হয় যে আমাদের নতুন বাড়ি করাই কঠিন হয়ে দাঁড়ায়।  ঢালাইয়ের কাজ শুরু করলে  তারা তাদের বাসার পানি ছেড়ে দিয়ে আমাদের  ঢালাই ভাসিয়ে দেয়। এর প্রতিবাদ করলে তারা হুমকি দিয়ে বলে  ‘তোর বাবা সিলেট থেকে এসে এখানে  ক্ষমতা দেখিয়ে বাড়ি করেছে আর তোরা সেই ক্ষমতায় রাস্তা দখল করে নতুন বাড়ি করছিস”।    

মুক্তিযোদ্ধার সন্তানের প্রশ্ন স্বাধীন দেশে  একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা যাকে সন্ত্রাসীরা নির্মমভাবে হত্যা করেছে তাঁর সন্তানের কি স্বাধীনভাবে বেঁচে থাকার অধিকার নেই?

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইল প্রেসক্লাব সভাপতি জাফর আহমদ, সাধারণ সম্পাদক  কে জেড মওলাসহ অন্যান্য প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা।

ফেসবুকের মাধ্যমে আমাদের মতামত জানাতে পারেন।

খবরটি শেয়ার করুন..

এই বিভাগের আরো সংবাদ
Banglaheadlines.com is one of the leading Bangla news portals, Get the latest news, breaking news, daily news, online news in Bangladesh & worldwide.
Designed & Developed By Banglaheadlines.com