বাংলা হেডলাইনস খুলনা ব্যুরো : খুলনার কয়রায় সুন্দরবন থেকে আহরণকৃত অপদ্রব্য মিশ্রিত দুই নছিমন ভর্তি ১০ মন চিংড়ি মাছসহ ৮ জনকে আটক করেছে ।
জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মহারাজপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল মাহমুদের নেতৃত্বে গত ৩০ জুন ভোর ৪ টার দিকে মহারাজপুর ইউনিয়নের দেয়াড়া ও মাদারবাড়িয়া বাজার এলাকা থেকে সুন্দরবন থেকে আহরণকৃত অপদ্রব্য মিশ্রিত দুইটি নছিমন ভর্তি ১০ মন চিংড়ি মাছ সহ ৮ জনকে আটক করে।
আটককৃতরা হলো ৪ নং কয়রা গ্রামের রাকিব সরদারের ছেলে মিজানুর রহমান(২৮), একই গ্রামের আব্দুল হক সানার ছেলে আসাদুল ইসলাম(৩৭) মোকসেদ সানার ছেলে মোস্তফা সানা(৪০), মৃত হাসেম সানার ছেলে আসাদুল ইসলাম মিন্টু (৩৫) ও ৪ নং কয়রা গ্রামের ৭ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি ইব্রাহিম সানার ছেলে আবুল বাসার সানা (৫৫) এবং মঠবাড়ি গ্রামের ইসলাম গাজীর ছেলে আনারুল (৪০), মহারাজপুর গ্রামের শহর আলী গাজীর ছেলে সাইফুল্যাহ (৩০) ও কওছার গাজীর ছেলে মিলন গাজী(৩৭)।
খবর পেয়ে উপজেলা চেয়ারম্যান এসএম শফিকুল ইসলাম,উপজেলা নির্বাহী অফিসার অনিমেষ বিশ্বাস ও উপজেলা মৎস্য অফিসার আমিনুল হক ঘটনাস্থলে যান এবং আটককৃত চিংড়ি মাছ কেরোসিন দিয়ে মাটিতে পুতে বিনষ্ট করেন।
পরবর্তীতে আটক ৮ ব্যাক্তির নিকট থেকে ৪ লাখ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে।
মহারাজপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুল্যাহ আল মাহমুদ বলেন, জুন মাসের ১ তারিখ হতে ৩ মাস সুন্দরবনের সকল মাছ ধরা নিষিদ্ধ রয়েছে। সেই নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে বন বিভাগের সহযােগিতায় একটি সংঘ বদ্ধ চক্র প্রতিনিয়ত সুন্দরবনের নদী-খালে বিষ দিয়ে মাছ ধরে চড়া মুল্যে বিক্রি করছে।
কয়রা উপজেলা সিনিয়র মৎস্য অফিসার আমিনুল হক বলেন, জুন মাস থেকে ৩ মাস সুন্দরবনের সকল প্রকার মাছ আহরণ নিষিদ্ধ রয়েছ। তারপরেও নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে যারা সুন্দরবন থেকে মাছ আহরণ করছে তাদের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যহত রয়েছে।
উপজেলা চেয়ারম্যান এসএম শফিকুল ইসলাম ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার অনিমেষ বিশ্বাস ঘটনাস্থলে ঘোষণা দিয়েছেন যারা সুন্দরবন থেকে বিষ দিয়ে মাছ ধরবে তাদের সন্ধান দিলে তাদেরকে পুরস্কার দেয়া হবে।