বাংলা হেডলাইনস বগুড়া : বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে বীর শহীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন এবং উৎসাহ, উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে সোমবার বগুড়ায় মহান বিজয়ের ৪৮তম বার্ষিকী উদযাপিত হয়েছে।
জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণসহ বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করে জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন।
সূর্যোদয়ের সাথে সাথে ৩১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে দিবসের সূচনা হয়। এ সময় শহরের ফুলবাড়িতে মুক্তিযোদ্ধা শহীদ স্মৃতি ফলকে ও শহীদ খোকন পার্কের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, জেলা আওয়ামী লীগ, জাতীয় পার্টি, বিএনপি, বগুড়া প্রেসক্লাব, সাংবাদিক ইউনিয়ন, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, ফটো জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন, স্পোর্টস রিপোর্টার্স এসোসিয়েশনসহ বিভিন্ন সংগঠন আত্মোৎসর্গকারী জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে। এছাড়া বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠন দিবসটি পালনে নানা কর্মসূচি পালন করেছে। সকল সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। সকাল ৮টায় শহীদ চাঁন্দু স্টেডিয়ামে শিশু কিশোর সমাবেশ, কুচকাওয়াজ ও ডিসপ্লে প্রদর্শন করা হয়।
বগুড়া জেলা প্রশাসক ফয়েজ আহাম্মদ ও পুলিশ সুপার আলী আশরাফ ভুঞা কুচকাওয়াজে সালাম গ্রহণ করেন।

মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক শিশু চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরন করা হয়। জাতির অগ্রগতি ও কল্যাণ কামনা করে মসজিদসহ সকল ধর্মীয় উপাসনালয়ে বিশেষ প্রার্থনা করা হয়েছে।
দুপুরে জিলা স্কুল অডিটরিয়ামে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারবর্গের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়। জেলা প্রশাসক ফয়েজ আহাম্মদ, পুলিশ সুপার আলী আশরাফ ভুঞা, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মজিবর রহমান মজনু, সাধারণ সম্পাদক রাগেবুল আহসান রিপু, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ডা: মকবুল হোসেন, মুক্তিযোদ্ধা ইউনিটের সাবেক কমান্ডার রুহুল আমিন বাবলু এতে বক্তব্য রাখেন।
দুপুরে হাসপাতাল, জেলখানা, শিশু পরিবার, মুখ ও বধির উচ্চ বিদ্যালয় ও ভবঘুরে কেন্দ্রে উন্নতমানের খাবার পরিবেশন করা হয়। শহীদ খোকন পার্কে সন্ধ্যায় আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। বিজয় দিবস উপলক্ষে পৌরপার্কসহ বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে শিশু-কিশোর থেকে শুরু করে সব বয়সী মানুষের উপচেপড়া ভিড় ছিল।
সকালে শহীদ চাঁন্দু স্টেডিয়ামের বাইরের চত্বরে মেলার আমেজ ছিল। শহীদ খোকন পার্কে সম্মিলিত সাংস্কৃতি জোটের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে ছিল উপচে পড়া ভিড়। হরেক রকম খেলনাসহ রকমারী মুখরোচক খাবারের দোকান ছিল সেখানে। বিজয় দিবস উপলক্ষে সরকারের বিভিন্ন সরকারি অফিস আলোক সজ্জা করা হবে।