শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ০৫:০৪ পূর্বাহ্ন

দৌলতদিয়ায় ডুবে যাওয়া বাসটি তুলে আনছে ‘হামজা’

  • আপডেট টাইম : বুধবার, ২৫ মার্চ, ২০২৬
  • ১০০ দেখা হয়েছে

বাংলা হেডলাইনস: রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরি ঘাটে পদ্মা নদীতে ডুবে যাওয়া বাসটিকে উদ্ধারকারী জাহাজ ‘হামজা’র মাধ্যমে তুলে আনার চেষ্টা করা হচ্ছে।

বাসটি নদীর ৭০ থেকে ৮০ ফুট গভীরে ছিল জানিয়ে ফায়ার সার্ভিসের ফরিদপুর স্টেশনের সহকারী পরিচালক মো. বেলাল উদ্দিন বলেন, “হামজার মাধ্যমে বাসটিকে তুলে আনার চেষ্টা করা হচ্ছে। বৃষ্টি, বজ্রপাত আর নদীর ঢেউয়ের কারণে উদ্ধারকাজ কিছুটা ব্যাহত হয়েছে। আশা করি, দ্রুতই বাসটিকে উদ্ধার করা যাবে।”

বুধবার রাত সোয়া ১১টার দিকে বাসটির সামনে অংশ নদীর উপরে উঠে আসে। চালকের আসনের অংশটি দেখা যাচ্ছিল। বাকিটুকু পানির নিচে ছিল। বাসে হাতে থাকা ব্যাগ, স্কুল ব্যাগ, জুতা ইত্যাদি দেখা যাচ্ছিল।

কুষ্টিয়ার কুমারখালী থেকে ছেড়ে আসা সৌহার্দ্য পরিবহনের বাসটি দৌলতদিয়া ঘাটে ফেরিতে ওঠার অপেক্ষায় ছিল। বুধবার বিকাল সোয়া ৫টার দিকে পন্টুন থেকে বাসটি নদীতে পড়ে তলিয়ে যায়।

এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত চারজনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।

কুষ্টিয়ার কুমারখালী থেকে ছেড়ে আসা সৌহার্দ্য পরিবহনের বাসটি দৌলতদিয়া ঘাটে ফেরিতে ওঠার অপেক্ষায় ছিল। বুধবার বিকাল সোয়া ৫টার দিকে পন্টুন থেকে বাসটি নদীতে পড়ে তলিয়ে যায়।

একজন প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, বাসটি কুষ্টিয়ার কুমারখালী থেকে ঢাকা যাচ্ছিল। ঘাটে এসে বাসটি অ্যাপ্রোচ সড়কে ছিল। সেখান থেকে পন্টুনে ওঠার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পদ্মা নদীতে পড়ে যায়। ডুবে যাওয়া বাসটি থেকে পাঁচ থেকে সাতজন সাঁতরে তীরে উঠে আসেন।

বাসটিতে কতজন যাত্রী ছিল- এ ব্যাপারে জানতে চাইলে ঘাটের কেউ সুনির্দিষ্ট তথ্য দিতে পারেননি। তবে প্রত্যক্ষদর্শীদের ধারণা, বাসটিতে হয়ত ৪০ জনের মত ছিলেন।

বাসটি নদীতে পড়ে যাওয়ার বেশ কিছু ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়েছে। এর মধ্যে একটি ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে- বাসটি ফেরিতে ওঠার অপেক্ষায় পন্টুনে ছিল। ফেরিটি পন্টুনে যুক্ত ছিল। ফেরিতে যাত্রী ও যানবাহন ছিল। চলন্ত বাসটি মুহূর্তের মধ্যে পন্টুন থেকে নদীতে পড়ে যায়।

আরেকটি ভিডিওতে দেখা যায়, বাসটি পড়ার মুহূর্তে পন্টুন ও ফেরিতে থাকা লোকজন সেদিকে দৌড়ে যান। বাসটি ডুবে যাওয়ার পর সেখান থেকে কয়েকজন ভেসে ওঠেন। তখন পন্টুন ও ফেরিতে থাকা লোকজন তাদের দিকে রশি ও লাইফবয় ফেলেন। তারা সেটি দিয়ে ধরে ওঠে আসেন।

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সদরদপ্তর থেকে জানানো হয়েছে, সৌহার্দ্য পরিবহনের বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীর আনুমানিক ৩০ ফুট গভীরে তলিয়ে যায়।

গোয়ালন্দ ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের একটি ইউনিট এবং আরিচা স্টেশনের একটি ডুবুরি ইউনিট উদ্ধার কাজ চালাচ্ছে। ঢাকা ও ফরিদপুর থেকে আরো দুটি ডুবুরি ইউনিট ঘটনাস্থলে যাচ্ছে।

স্থানীয় ও বেঁচে যাওয়া বাসের আরোহীদের ভাষ্যমতে, ওই বাস থেকে পাঁচ থেকে সাত যাত্রী শুরুতেই বের হতে পেরেছেন।

ফায়ার সার্ভিস বলছে, পানির নিচে বাস শনাক্ত করা গেছে। বিআইডব্লিউটিএ এর উদ্ধারকারী যান ‘হামজা’র সহযোগিতায় বাসটি উত্তোলনের চেষ্টা চলছে।

ফেসবুকের মাধ্যমে আমাদের মতামত জানাতে পারেন।

খবরটি শেয়ার করুন..

এই বিভাগের আরো সংবাদ
Banglaheadlines.com is one of the leading Bangla news portals, Get the latest news, breaking news, daily news, online news in Bangladesh & worldwide.
Designed & Developed By Banglaheadlines.com