বাংলা হেডলাইনস বগুড়া: বগুড়া সদরের তিনমাথা এলাকায় বাফার গুদাম থেকে ঝিনাইদহের কালিগঞ্জে পাচারের সময় দুটি ট্রাকে থাকা ৮০০ বস্তা (৪০ মেট্রিক টন) ইউরিয়া সার জব্দ করা হয়েছে।
জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) তথ্যের ভিত্তিতে শেরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লিয়াকত আলী সেখের নেতৃত্বে র্যাব ও পুলিশ সদস্যরা যৌথভাবে স্থানীয় বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এ অভিযান চালান।
এ সময় দুটি ট্রাকের চালক ও হেলপারদের আটক করা হয়।
এ ব্যাপারে সোমবার বিকাল পর্যন্ত মামলা হয়নি। শেরপুর থানার ওসি শহিদুল ইসলাম জানান, মামলা হলে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
আটকরা হলো -ট্রাক চালক চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার পশ্চিম চন্ডীপুর গ্রামের জামাল উদ্দিন (৩০) ও তার সহকারী একই গ্রামের লিটন কুমার (২৫) এবং একই এলাকার পূর্ব জাহাঙ্গীরাবাদ নারায়ষপুর গ্রামের চালক ইব্রাহীম হোসেন (৩৪) ও তার সহকারী নাসির আলী (২৩)।
এনএসআই বগুড়া কার্যালয়ের দায়িত্বশীল সূত্র জানান, রোববার সন্ধ্যার পর বগুড়া সদরের তিনমাথা এলাকায় বাফার গুমাম থেকে দুটি ট্রাকে ৪০ মেট্রিক টন সার পাচারের উদ্দেশ্যে বের হয়। সারগুলো ঝিনাইদহের কালিগঞ্জের কোন ব্যবসায়ী বা প্রতিষ্ঠানে যাবার কথা। (ঢাকা মেট্টো ট-২২-৪৯০৩) ও (ঢাকা- মেট্টো ট-২০-৪০০৫) নম্বরের ট্রাক দুটি ঝিনাইদহের দিকে না গিয়ে বগুড়া-ঢাকা মহাসড়ক হয়ে সিরাজগঞ্জের দিকে যাচ্ছিল।
গোপনে এমন তথ্য পাবার পর বিষয়টি শেরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লিয়াকত আলী সেখকে অবহিত করা হয়।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা র্যাব ও পুলিশ সদস্যদের নিয়ে শেরপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ট্রাক দু’টি থামান। দুটি ট্রাকে থাকা ৮০০ বস্তায় ৪০ মেট্রিক টন ইউরিয়া সার পাওয়া যায়। এ সময় ট্রাকসহ সারগুলো জব্দ এবং দুই চালক ও দুই হেলপাকে আটক করা হয়েছে।
শেরপুর থানার ওসি শহিদুল ইসলাম জানান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সারগুলো জব্দ ও চারজনকে আটক করেছেন।
সোমবার বিকালে শেরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লিয়াকত আলী সেখ জানান, দুটি ট্রাকের চালক ও হেলপারের কাছে বৈধ কোন কাগজপত্র ছিল না।
তাদের চাঁপাইনবাবগঞ্জের দিকে যাওয়ার কথা থাকলেও যাচ্ছিল ঝিনাইদহের দিকে। জব্দ সার ও আটক চারজনকে শেরপুর থানায় সোপর্দ করা হয়েছে। এ ব্যাপারে মামলার প্রস্তুতি চলছে।