বাংলা হেডলাইনসঃ আজ রোববার সম্প্রতি ভারতের সাথে বাংলাদেশের সম্পাদিত চুক্তি ও সমঝোতাস্মারক জনসম্মুখে প্রকাশের দাবি জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে চিঠি দিয়েছে বিএনপি।
প্রধানমন্ত্রী বরাবর চিঠিতে বিষয় সম্পর্কে লেখা ছিল ২০১৯ সনের ৫ অক্টোবর আপনার ভারত সফরকালে ভারতের সাথে বাংলাদেশের স্বাক্ষরিত চুক্তিসমূহের পূর্ণ বিবরণী জনসম্মুখে প্রকাশের আবেদন।
বেলা ১২টার দিকে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর স্বাক্ষরিত চিঠি দলের যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল ও খায়রুল কবির খোকন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পৌঁছিয়ে দেন।
পরে সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল সাংবাদিকদের বলেন, ‘‘ দলের পক্ষ থেকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বরাবর মহাসচিবের স্বাক্ষর করা চিঠিটি আমরা প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারি ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়ার কাছে দিয়ে এসেছি। চিঠিটি তারা গ্রহন করেছেন।”
এক পৃষ্ঠিার চিঠিতে উল্লেখ আছে, বাংলাদশের সংবিধানের আর্টিকেল ১৪৫ (ক) উল্লেখ আছে “ বিদেশের সাথে সম্পাদিত সকল চুক্তি রাষ্ট্রপতির নিকট পেশ করা হবে, এবং রাষ্ট্রপতি তা সংসদে পেশ করার ব্যবস্থা করবেন। তবে শর্ত হচ্ছে যে, জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে সংশ্লিষ্ট অনুরুপ কোনো চুক্তি কেবলমাত্র সংসদের গোপন বৈঠকে পেশ করা হবে।”
‘ কিন্তু ভারতের সাথে যেসব চুক্তি স্বাক্ষর করা হলো তার কোনটিই জনসম্মুখে কিংবা জাতীয় সংসদে উপস্থাপন করা হয়নি। এর ফলে রাষ্ট্রের সকল ক্ষমতার মালিক জনগনই এই সকল চুক্তি খুঁটিনাটি এবং বিস্তারিত বিবরণ সম্পর্কে পুরোপুরি অন্ধকারে রয়েছে। অথচ এই সকল জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ চুক্তির বিষয়ে অবহিত থাকা জনগনের মৌলিক অধিকার, যে অধিকার থেকে জনগনকে বঞ্চিত রাখা স্পষ্টতই সংবিধানের লঙ্ঘন‘ ফখ্রুল চিঠিতে উল্লেখ করেন।
প্রকৃতপক্ষে ভারতসহ অন্যান্য দেশের সাথে সাম্প্রতিককালে বাংলাদেশের সম্পাদিত চুক্তিগুলো সম্পর্কে জনগণকে অবহিত করা হয়নি, তিনি অভিযোগ করেন।
বিএনপির মহাসচিব উল্লেখ করেন ‘এমতাবস্থায় সংবিধানের আর্টিকেল ১৪৫ (ক) ভারতের সাথে এবং অন্যান্য রাষ্ট্রের সাথে স্বাক্ষরিত সকল চুক্তির পূর্ণ বিবরণী অনতিবিলম্বে জাতীয় সংসদ ও জনসমক্ষে প্রকাশ করে জনমনে সৃষ্ট নানবিধ প্রশ্ন ও সন্দেহ দূর করার আহবান জানাচ্ছি’।