বাংলা হেডলাইনস বগুড়া : আগামী ৭ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিতব্য বগুড়া জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনে ৪৫০ জনকে কাউন্সিলর (ভোটার) মনোনীত করা হয়েছে। এ তালিকায় আদমদীঘিতে আওয়ামী লীগে ‘অনুপ্রবেশকারী’ কয়েকজন ফ্রিডম পার্টি, জাতীয় পার্টি ও ছাত্রদলের সাবেক নেতার নাম রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
এ ব্যাপারে কেন্দ্রীয় সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের কাছে লিখিত অভিযোগ করা হয়েছেম দলীয় সুত্রে জানা গেছে।
সান্তাহারের আবদুস সামাদ নামে এক ব্যক্তি কেন্দ্রীয় ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের কাছে আবেদনে উল্লেখ করেছেন, ফ্রিডম পার্টির সাবেক নেতা আবু রেজা খান, এরশাদুল হক টুলু, আবদুল হক আবু, জাহিদুল, শহিদুল ইসলামসহ কয়েকজন নব্য আওয়ামী লীগার। আওয়ামী লীগে যোগ দিয়ে এদের কেউ কেউ শত কোটি টাকার মালিক হয়েছেন। তিনি তদন্তপূর্বক এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ জানিয়েছেন। এ প্রসঙ্গে বগুড়া জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট মন্তেজার রহমান মন্টু জানান, তিনি এ সংক্রান্ত চিঠি পেয়েছেন। বিষয়টি তার এখতিয়ার বহির্ভূত। জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকই কেবল তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারেন।
এদিকে অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন থেকে শুধু যুবলীগের একজনকে কাউন্সিলর করা হয়েছে। এ নিয়ে ত্যাগি ও বঞ্চিত নেতাকর্মীদের মাঝে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। অন্যদিকে মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষদিন বুধবার বিকাল পর্যন্ত সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে কেউ মনোনয়ন প্রত্যাহার করেননি। সভাপতি পদে ৭ জন ও সাধারণ সম্পাদক পদে ১১ জনের প্রার্থীতা বৈধ হয়েছে। পুরো শহর প্রার্থীদের পোস্টার ও বিলবোর্ডে ছেয়ে গেছে।
এ ব্যাপারে মন্তেজার রহমান মন্টু জানান, ১৩ সাংগঠনিক কমিটি থেকে ৪৫০ জন কাউন্সিলর তালিকাভুক্ত হয়েছেন। এছাড়া প্রতিটি কমিটি থেকে ৫ জন করে কো-অপ্ট করে আরো ৬৫ জন কাউন্সিলর হবেন। গঠনতন্ত্র অনুসারে আরো ৩৫ জনকে কো-অপ্ট করার সুযোগ রয়েছে। তিনি আরো জানান, আওয়ামী লীগের গঠনতন্ত্রের ৬(ঙ) ধারা অনুসারে সহযোগি সংগঠন থেকে সভাপতি ও সম্পাদকসহ ৫ জনকে করে কাউন্সিলর করার বিধান থাকলেও তা করা হয়নি। এক্ষেত্রে সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা নির্বাচন কমিশনে (নির্বাচন পরিচালনা কমিটি) আবেদন করলে বিবেচনার সুযোগ রয়েছে। সেটা সম্মেলনের দিন প্রথম অধিবেশনে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক চুড়ান্ত করবেন।