বাংলা হেডলাইনস রাঙ্গামাটি: মুজিববর্ষ উপলক্ষে প্রথমবারের মত রাঙ্গামাটির কাপ্তাইয়ে শুরু হলো বঙ্গবন্ধু জাতীয় অ্যাডভেঞ্চার উৎসব।
বঙ্গবন্ধু জাতীয় অ্যাডভেঞ্চার উৎসবে বিভিন্ন অ্যাডভেঞ্চার কার্যক্রমে অংশগ্রহণের জন্য মোট ১০০জন অ্যাডভেঞ্চারকে মনোনীত করা হয়েছে। উৎসবে পার্বত্য এলাকা থেকে ৩১ জন, দেশের অন্যান্য এলাকা থেকে ৫৩ জন এবং ১৬ জন বিদেশী অংশগ্রহনকারী রয়েছে। আর ২৭জন মহিলা অ্যাডভেঞ্চারে অংশগ্রহন করছে। আর বিভিন্ন অ্যাডভেঞ্চার ইভেন্ট পরিচালনার জন্য ১৬ জন বিদেশি প্রশিক্ষক উৎসবে যোগ দিয়েছেন। এছাড়া ভারত, নেপাল ও অস্টেলিয়া থেকে ১৬ জন অতিথি উৎসবে যোগ দিয়েছেন।
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ. ক. ম. মোজাম্মেল হক শনিবার কর্ণফুলী সরকারি কলেজ প্রাঙ্গণে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের আয়োজনে বাংলাদেশ অ্যাডভেঞ্চার ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় ৫ দিনব্যাপী এই উৎসবের উদ্বোধন করেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মন্ত্রী বলেন মুজিববর্ষের শুরুতে পার্বত্য অঞ্চলের উন্নয়ন বোর্ডের বঙ্গবন্ধু জাতীয় অ্যাডভেঞ্চার উৎসব দেশে একটি নতুন মাত্রা যোগ করবে । তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু জাতীয় অ্যাডভেঞ্চারের ইভেন্টগুলো দেশ বিদেশি তরুন সমাজকে আরো বেশি অনুপ্রাণিত করবে।
পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান বাংলাদেশ অ্যাডভেঞ্চার ফাউন্ডেশনের প্রেসিডেন্ট নববিক্রম কিশোর ত্রিপুরা এনডিসি সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, রাঙ্গামাটি থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য দীপংকর তালুকদার , সংরক্ষিত মহিলা আসনের সাংসদ বাসন্তী চাকমা , ওসিয়ান সেলর এন্ড অ্যাডভেঞ্চার এর প্রতিনিধি , কাপ্তাই নৌবাহিনী শহীদ মোয়াজ্জম ঘাঁটির অধিনায়ক ক্যাপ্টেন এমএ মুকিত খান, রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসক এ কে এম মামুনুর রশিদ, পুলিশ সুপার মো: আলমগীর কবীর, উন্নয়ন বোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ শাহিনুল ইসলাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের সদস্য পরিকল্পনা প্রকাশ কান্তি চৌধুরী, কাপ্তাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আশরাফ আহমেদ রাসেল প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, রূপময় প্রাকৃতিক সৌন্দর্য-শোভিত বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চল পাহাড়, বন জলপ্রপাত, নদী এবং বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত পর্যটন আকর্ষণের জন্য বিখ্যাত। বঙ্গবন্ধু জাতীয় অ্যাডভেঞ্চার উৎসব শুধু একটি ব্যতিক্রমী কার্যক্রম নয় বরং সকলের জন্য জীবনকালের অভিজ্ঞতা সঞ্চয়ের এক অন্যতম মাধ্যম হবে। আর অ্যাডভেঞ্চার উৎসবে
অংশগ্রহণকারীরা বিভিন্ন কার্যক্রমের মাধ্যমে পার্বত্য এলাকার সবুজ পাহাড় পর্বতমালা এবং অবারিত ও উম্মুক্ত প্রকৃতির কাছে যাবার সুযোগ পাবে বলে আশা প্রকাশ করেন তারা।
উৎসবে জাতীয় সংগীত পরিবেশন করেন উপজেলা শিল্পকলা একাডেমি শিল্পী এবং বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা।