বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:০৬ পূর্বাহ্ন
পরীক্ষামূলক সম্প্রচার:
ঠাকুরগাঁও উপনির্বাচন সুষ্ঠু না হলে কঠোর আন্দলনের হুশিয়ারি জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোটের ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্য সরকারকে বিব্রতকর অবস্থায় ফেলেছে: রিজভী জাপান-বাংলাদেশ বন্ধুত্ব হবে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির চালিকাশক্তি: প্রধানমন্ত্রী প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন নগরী প্রতিষ্ঠায় জাপানকে সহযোগিতার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর সরকার অনুমতি দিলে ক্রসফায়ারে যেতে পারে পুলিশ: আইজিপি ডিসেম্বরে হাসিনার ফেরার খবরে অস্থিরতার সুযোগ দেবে না সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী স্থানীয় নির্বাচন নিয়ে এখনো ভালো লক্ষণ দেখছি না : জামায়াত আমির সৌদি আরবে কারাবন্দি ৭৫০০ বাংলাদেশি : শামা ওবায়েদ মোংলা বন্দর-সুন্দরবন ও প্রস্তাবিত অর্থনৈতিক অঞ্চল পরিদর্শন প্রধানমন্ত্রীর সাজেকে গোলাগুলি।। ২,৯৩৩ পর্যটককে সরিয়ে নিল নিরাপত্তা বাহিনী

মানিকগঞ্জে প্রেমিকের সহযোগিতায় মাকে হত্যা

  • আপডেট টাইম : সোমবার, ২৭ জানুয়ারী, ২০২০
  • ৯৭৫ দেখা হয়েছে
হত্যার শিকার মাহমুদা বেগম

বাংলা হেডলাইনস মানিকগঞ্জ: মানিকগঞ্জ শহরে দক্ষিন সেওতা এলাকায় গৃহবধূ মাহমুদা বেগম (৪৫) কে হত্যার রহস্য উন্মোচন করেছেন পুলিশ।

প্রেমিকের সাথে বিয়ে দিতে রাজি না হওয়ায় মা মাহমুদা বেগমকে পরিকল্পিতভাবে প্রেমিককে দিয়ে হত্যা করে মেয়ে জ্যোতি আক্তার। হত্যাকান্ডের সহযোগী ছিল প্রেমিক ও তার তিন বন্ধু। মানিকগঞ্জের দক্ষিন সেওতা গ্রামে গত বুধবার ঘরে ঢুকে গৃহবধু মাহমুদা বেগম হত্যা মামলায় আটক জ্যোতি আক্তার আদালতে স্বীকারোক্তিমুলক জবানবন্দিতে এ কথা জানায়।

সোমবার বিকেলে আসামি প্রেমিক নাঈম ও তার বন্ধু রাকিব মানিকগঞ্জ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টের সিনিয়র বিচারক শাকিল আহম্মেদের আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মানিকগঞ্জ সদর থানার উপপুলিশ পরির্দশক (এস,আই) শামিম আল মামুন জানান, গত নভেম্বরে জ্যোতির সঙ্গে তার স্বামীর বিবাহ বিচ্ছেদ হয়। এর মধ্যে ফেসবুকের মাধ্যমে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে ঢাকা জেলার কেরানীগঞ্জের আরাকুল গ্রামের নাঈমের সাথে। নিজেরা বিয়ের জন্য প্রস্তুতিও নেয়।

কিন্তু জ্যোতির মা মাহমুদা বেগম এতে রাজি ছিলেন না। তিনি মেয়েকে অন্যত্র বিয়ে দেয়ার জন্য চেষ্টা করছিলেন। এই নিয়ে মেয়ের সঙ্গে মায়ের ঝগড়া-বিবাদ তৈরি হয়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে প্রেমিক নাঈমের সাথে জোট করে জ্যোতি মাকেই হত্যার পরিকল্পনা করে।

ঘটনার আগের দিন ২১ জানুয়ারি রাতেই প্রেমিক নাঈম, রাকিব সহ আরও দুই বন্ধু অবস্থান নেয় জ্যোতির শোবার ঘরে। বন্ধুদের ভাড়া করা হয় দেড় লাখ টাকায়। এর মধ্যে জ্যোতি তার স্বর্ণালংকার এবং নগদ ১৬ হাজার টাকা দিয়ে প্রাথমিকভাবে কিছু শোধ করে হত্যাকারীদের। রাতেই হত্যার পরিকল্পনা থাকলেও তা সম্ভব হয়নি। ২২ জানুয়ারি বুধবার সকালে জ্যোতির বাবা জহিরুল ইসলাম আলিয়ার প্রাতঃভ্রমণে বাড়ির বাইরে যায় আর মা মাহমুদা বেগম সেলাই মেশিনে কাজ করার জন্য বসেন। এই সুযোগে মাহমুদা বেগমের রুমে ঢুকে নাঈমসহ আরো দুইজন। এরা রুমে ঢুকেই মাহমুদা বেগমকে গলা টিপে হত্যা করে।

হত্যাকান্ডকে ডাকাতির সাজিয়ে ওই সময় বক্তব্য দেন জ্যোতি আক্তার। কিন্ত তার কথাবার্তায় সন্দেহ হওয়াতে ঘটনার দিনই জ্যোতিকে আটক করা হয়। পরে তার তথ্যের ভিত্তিতে আটক করা হয় নাঈম ও রাকিবকে। অন্য দুজনকে গ্রেফতারের চেস্টা চলছে। কোর্টে হাজির করার পর জ্যোতিকে চারদিনের রিমান্ডে নেয়া হয়।

আদালতে জ্যোতি আক্তার রোববার দিন ও অপর দুই আসামি রাকিব ও নাঈম সোমবার আদালতে ১৬৪ ধারা দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন।

ফেসবুকের মাধ্যমে আমাদের মতামত জানাতে পারেন।

খবরটি শেয়ার করুন..

এই বিভাগের আরো সংবাদ
Banglaheadlines.com is one of the leading Bangla news portals, Get the latest news, breaking news, daily news, online news in Bangladesh & worldwide.
Designed & Developed By Banglaheadlines.com