বাংলা হেডলাইনস রাজশাহী: রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের তিন হাজার কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন দেওয়ায় বুধবার মহানগরে আনন্দ র্যালি বের হয়।
নগরবাসীর আনন্দ মিছিলটি নগর ভবন থেকে সকাল ১১ টার দিকে শুরু হয়ে সাহেব বাজার জিরো পয়েন্টে গিয়ে শেষ হয়।
মঙ্গলবার জাতীয় অর্থ কমিটির সভায় (একনেক) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে এই অনুমোদন দেওয়া হয়। এর জন্য রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন। সেই আনন্দে আজ রাজশাহীতে আনন্দ র্যালি।
উন্নয়নের কাজ হিসেবে রাজশাহী নগরীতে ৬টি ফ্লাইওভার, ৫০টি বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি, কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার, ১৭টি ফুটওভার ব্রিজ, ৩০টি গণশৌচাগার, গোরস্থান ও জলাশয়ের ধারে ওয়াকওয়ে নির্মাণসহ প্রায় ৬৯টি ক্ষেত্রে অবকাঠামোগত উন্নয়ন করা হবে।
জানা যায়, রাজশাহী সিটি করপোরেশনে অবকাঠামোগত উন্নয়নে বর্তমানে ৫টি প্রকল্প চলমান রয়েছে। এর মধ্যে ১৮২ কোটি টাকা ব্যয়ে রাজশাহী-নওগাঁ প্রধান সড়ক থেকে মোহনপুর-রাজশাহী-নাটোর সড়ক পর্যন্ত পূর্ব-পশ্চিম সংযোগ সড়ক নির্মাণ, ১৯৩ কোটি টাকা ব্যয়ে রাজশাহী মহানগরীর জলাবদ্ধতা দূর করতে নর্দমা নির্মাণ, ১২৭ কোটি টাকা ব্যয়ে নগরীর কল্পনা সিনেমা হল থেকে তালাইমারী মোড় পর্যন্ত সড়ক প্রশস্তকরণ ও উন্নয়ন, ১৭২ কোটি টাকা ব্যয়ে রাজশাহী মহানগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ রাস্তার উন্নয়ন এবং ৪৯ কোটি টাকা ব্যয়ে নগরীর ৩০টি ওয়ার্ডে সড়ক ও নর্দমা সমূহের উন্নয়ন।

চলতি মাসে তিন হাজার কোটি টাকার মেগা প্রকল্প অনুমোদন হলে সিটি করপোরেশনে অযান্ত্রিক যানবাহন লেনসহ চারলেন সড়ক নির্মাণ করা হবে। পাশাপাশি কার্পেটিং সড়ক নির্মাণ, পুনর্নির্মাণ ও প্রশ্বস্তকরণ করা হবে। ৬টি প্রাইমারি নর্দমা, ১৪৯টি সেকেন্ডারি নর্দমা ও টারশিয়ারি নর্দমা নির্মাণ করা হবে। ফুটপাত নির্মাণ করা হবে ৪১.৯২ কিলোমিটার, গোরস্থান ও জলাশয়ের ধারে ওয়াকওয়ে নির্মাণ করা হবে ৬২.০৭ কিলোমিটার, জলাশয়সমূহে সৌন্দর্যবর্ধনমূলক কাঠামো নির্মাণ করা হবে ১৯টি, গণশৌচাগার নির্মাণ করা হবে ৩০টি, পার্ক হবে ৪টি। একই সঙ্গে কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার, ৬টি ফ্লাইওভার, ১৭ ফুটওভার ব্রিজ, ৫০টি বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি, ৪টি কাঁচাবাজার জলাশয় খনন ও সড়ক আলোকায়ন করা হবে।
রাজশাহী নগরীর সাধারন মানুষ মনে করে সঠিক ভাবে প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে নতুন রূপে গড়ে উঠবে রাজশাহী নগরী।