বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৪১ পূর্বাহ্ন
পরীক্ষামূলক সম্প্রচার:
দুর্নীতি বন্ধে আগে রাজনৈতিক নেতাদের সৎ হতে হবে: আইনমন্ত্রী ইশরাকের মাদকবিরোধী অভিযানকে নেতিবাচক বলার সুযোগ নেই: জামায়াত আমির অর্থ দিচ্ছে পালিয়ে যাওয়া স্বৈরাচার, অস্থিরতার চেষ্টা করছে একটি দল : প্রধানমন্ত্রী দল ও প্রধানমন্ত্রীকে বিব্রত করতে চাইনি, স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেছি: ইশরাক মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশের গুঞ্জন।। মধ্যরাতে ইশরাকের ফেসবুক বার্তা শেরেবাংলা নগরে যাচ্ছে সচিবালয় কক্সবাজারে রিসোর্টে আগুন ।। নিহত ১০, একই পরিবারের ৬জন বাংলাদেশের সঙ্গে অংশীদারত্ব চুক্তির পথে বিশ্বব্যাংক: অর্থমন্ত্রী সার ডিলার নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগ, তদন্তের দাবি জামায়াতের অপারেশন ক্লিন হার্টের মতো অভিযান চালানোর পরিকল্পনা নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

রাজশাহী মেডিকেল কলেজে নবজাতকদের উন্নত চিকিৎসায় বিশেষ ইউনিট

  • আপডেট টাইম : সোমবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২০
  • ৫৬০ দেখা হয়েছে

বাংলা হেডলাইনস রাজশাহী: নবজাতক শিশুদের উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে স্থাপন করা হচ্ছে ‘স্পেশাল কেয়ার নিউবর্ন ইউনিট’। অত্যাধুনিক প্রযুক্তির চিকিৎসা সরঞ্জামের সমন্বয়ে এ ইউনিটে থাকছে এনআইসিইউ, স্টেপ ডাউন, সেপটিক এরিয়া বেডসহ বিভিন্ন সুবিধা। এছাড়া নবজাতকদের মায়ের বুকের দুধ খাওয়ানোর জন্য থাকবে বিশেষ ব্যবস্থা।

রামেক হাসপাতালের শিশু বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ওই ইউনিটে নবজাতকদের সঠিকভাবে স্বাস্থ্যসেবা দেওয়া হবে। বিভিন্ন জটিল রোগের ক্ষেত্রে তাদের আলাদা ইউনিটে চিকিৎসা দিলে মৃত্যুর ঝুঁকিও অনেক কমে যাবে। পাশাপাশি তাদের জন্য হাসপাতালের বেডের সংকটও কিছুটা কমে আসবে।

রামেক হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. সাইফুল ইসলাম ফেরদৌস বলেন, নতুন ওই ইউনিটটি দ্রæতই চালু হবে। সব কার্যক্রম এখন প্রায় শেষ পর্যায়ে। এই ইউনিট চালু হলে শিশুদের চিকিৎসায় হাসপাতালের সেবার মান দ্বিগুণ বাড়বে।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, ওই ইউনিটটি নির্মাণের কার্যক্রম শুরু হয় ২০১৮ সালের জুলাইয়ে। এখন এতে ২৭টি সরঞ্জাম বসানোর কাজ শেষ। আর অক্সিজেনের সরবরাহ ব্যবস্থা, বিদ্যুৎ স্থাপন এবং ৯টি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত যন্ত্র (এসি) যুক্ত হলেই এই ইউনিটটি চালু করা হবে।

সূত্র জানায়, রামেক হাসপাতালে দীর্ঘদিন ধরে শিশুদের চিকিৎসার জন্য বেডের সংকট রয়েছে। শিশু বিভাগে তিনটি ইউনিট মিলে বেড সংখ্যা ১২০টি। কিন্তু এখানে ধারণক্ষমতার তুলনায় প্রায় তিনগুণ বেশি অসুস্থ হয়ে শিশু ভর্তি হয়। ফলে একই বেডে একাধিক শিশু ও মেঝেতে রেখে চিকিৎসা দিতে হয়। এতে একদিকে চিকিৎসক-নার্সদের সেবা দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে।

 রামেক হাসপাতালের চিকিৎসক-নার্সরা বলছেন, হাসপাতালে প্রতিদিন বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে প্রায় পাঁচ থেকে ছয়জন শিশু মারা যায়। এর মধ্যে নবজাতক শিশুর সংখ্যা বেশি। স্পেশাল কেয়ার ইউনিটটি চালু হলে ওই সমস্যার কিছুটা সমাধান হবে। হাসপাতালে প্রতিদিন নবজাতকদের সংখ্যা থাকে ১০০ জনের মতো। এই অবস্থায় ৪০টি বেডের ব্যবস্থা হলেও এখনো দরকার এমন আরও ৬০টি বেড।

রামেক হাসপাতালের শিশু-বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ডা. বেলাল উদ্দিন বলেন, বাংলাদেশে শিশু মৃত্যুহার হাজারে ৩৮ জন। এর মধ্যে দুই তৃতীয়াংশ হলো কম ওজনের জন্ম নেওয়া নবজাতক। এই নবজাতকগুলোর বেশিরভাগেরই সেপ্টিসিমা সংক্রমণ হয়। এদের যদি আমরা আলাদাভাবে চিকিৎসা দিতে পারি তবে, হাসপাতালে শিশু মৃত্যুহার অনেক কমে যাবে।

ফেসবুকের মাধ্যমে আমাদের মতামত জানাতে পারেন।

খবরটি শেয়ার করুন..

এই বিভাগের আরো সংবাদ
Banglaheadlines.com is one of the leading Bangla news portals, Get the latest news, breaking news, daily news, online news in Bangladesh & worldwide.
Designed & Developed By Banglaheadlines.com