বাংলা হেডলাইনস বগুড়া প্রতিনিধি: বগুড়ায় হেফাজতে ইসলামের ডাকা হরতালে কোন সাড়া মেলেনি।
দোকানপাট, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খোলা ছিল, অফিস-আদালতে স্বাভাবিক কাজকর্ম চলেছে। যানবাহন চলাচল ছিল প্রায় স্বাভাবিক। কোন নেতাকর্মীকে মাঠে দেখা যায়নি।
পুলিশ বলছে, কোন হরতাল হয়নি; আবার হেফাজতের নেতারা বলছেন, এখানে হরতাল না হলেও তাদের উদ্দেশ্য সফল হয়েছে।
সকাল থেকেই আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা হরতালের বিপক্ষে শহরের সাতমাথার টেম্পল রোডের দলীয় কার্যালয় এবং আশপাশের এলাকায় অবস্থান নেন।
শহরের সাতমাথা, চারমাথা, তিনমাথা, ঠনঠনিয়া, মাটিডালি, বনানীসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে রায়ট কার, জলকামান ও পর্যাপ্ত পুলিশ মোতায়েন ছিল। র্যাব-১২ ক্যাম্পের সদস্যরাও টহল দিয়েছেন।
সকল দোকানপাট ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খোলা ছিল। অফিস-আদালতে স্বাভাবিক কাজকর্ম চলেছে। রেল চলাচল ছিল স্বাভাবিক। আন্ত:জেলা যানবাহন চলাচল করেছে।
বগুড়া সদর থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) আবুল কালাম আজাদ জানান, হেফাজতের কোন নেতাকর্মীকে মাঠে পিকেটিং করতে দেখা যায়নি। হরতালের সময় সবকিছু স্বাভাবিক ছিল। গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে ফোর্স মোতায়েন রয়েছে। জেলার কোথাও কোন অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।
বগুড়া জেলা হেফাজতে ইসলামের দপ্তর সম্পাদক মুফতি আবদুল ওয়াহেদ ও সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার শামসুল হক জানান, এখানে সেভাবে হরতাল হয়নি। তবে তাদের হরতাল ডাকার উদ্দেশ্য সফল হয়েছে।
তারা বলেন এ হরতালে বাম দল, বিএনপি, ঢাবির ভিপি নূরুল হক নূর সমর্থন দিয়েছে। সারাবিশ্ব তাদের হরতালের কারণ জেনেছে। তিনি আরো বলেন, কেন্দ্রীয় নির্দেশে তারা পিকেটিং করেননি। ফলে কোথাও কোন অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। পুলিশ কাউকে গ্রেফতারও করেনি।
তবে শনিবার বিকালে জামিল মাদ্রাসার বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী হরতালেরসমর্থনে কলোনী এলাকায় মাদ্রাসার সামনে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন।