বাংলা হেডলাইনস বগুড়া প্রতিনিধি : বগুড়ায় এক প্যারামেডিক্স চিকিৎসককে বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ ও সন্তানের চিকিৎসার নামে সাড়ে সাত লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার মামলায় এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) সদস্যরা মেহেদী হাসান কাফি (৪৩) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছেন।
শনিবার সকালে বগুড়া শহরের মালতিনগর হাইস্কুল সড়কের বাড়ি থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। বিকালে তাকে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করলেও তিনি স্বীকারোক্তি দেননি।
রোববার তাকে আদালতে হাজির করে তিনদিনের রিমান্ড চাওয়া হবে।
পিবিআই বগুড়ার ইন্সপেক্টর জাহিদ হাসান ও এজাহার সূত্র জানায়, ভিকটিম একজন প্যারামেডিক্স চিকিৎসক। শহরের তিনমাথা এলাকার ফার্মেসীতে চিকিৎসা দিয়ে থাকেন।
পরিচয়ের সুবাধে বগুড়া শহরের মালতিনগর হাইস্কুল সড়কের আবদুল করিমের ছেলে মেহেদী হাসান কাফির সাথে তার ভালোবাসার সম্পর্ক গড়ে উঠে। বিয়ের প্রলোভনে তিনি তার শহরের পুরান বগুড়ার বাড়িতে যাতায়াত করতে থাকেন।
কাফি তার ছোট ছেলে আলভী হাসানের চিকিৎসার নামে নেওয়া সাড়ে সাত লাখ টাকা আত্মসাৎ করেন। বাড়িতে যাতায়াতকালে মহিলার সাথে জোরপূর্বক শারীরিক মেলামেশা করেন।
এছাড়াও কক্সবাজার, রাজশাহী, গাজীপুরের বিভিন্ন রিসোর্ট ও মোটেলে নিয়ে শারীরিক সম্পর্ক করেছেন।সর্বশেষ গত ৫ মে বাড়িতে এসে আবারো ধর্ষণ করেন।
এ ব্যাপারে তিনি (ভিকটিম) প্রথম নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের কাফির বিরুদ্ধে মামলা করেন। বিচারক সদর থানার ওসিকে এজাহারটি গ্রহণ করে পিপিআইকে তদন্ত করতে দেওয়ার নির্দেশ দেন।
মামলাটি পাবার পর পিবিআই সদস্যরা শনিবার সকাল ৭.৫০ মিনিটে বাড়ি থেকে আসামিকে গ্রেফতার করেন। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামি কাফি পুলিশের কাছে স্বীকারোক্তি দেন। বিকালে তাকে আদালতে হাজির করা হলেও তিনি স্বীকারোক্তি দেননি।
তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মনিরুজ্জামান মনি জানান, স্বীকারোক্তি না দেওয়ায় তাকে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। রোববার তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালতে তিনদিনের রিমান্ড আবেদন করবেন।