বাংলা হেডলাইনস বগুড়া প্রতিনিধি: বগুড়ায় ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে নৌকা মার্কার প্রার্থীর বিপক্ষে অবস্থান নেওয়ায় নতুন করে আরো নয় নেতাকে দল থেকে বহিস্কার করা হয়েছে।
এদের মধ্যে সদরের এরুলিয়ায় একজন, কাহালুর তিন ইউনিয়নে পাঁচজন এবং নন্দীগ্রামের দুই ইউনিয়নে তিনজন। এ নিয়ে মোট ৪০ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হলো।
শুক্রবার জেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক আল রাজি জুয়েল স্বাক্ষরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য পাওয়া গেছে। এতে মাঠ পর্যায়ে নেতাকর্মীদের মাঝে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।
জুয়েল জানিয়েছেন, গত দ্বিতীয়, তৃতীয় ও আসন্ন চতুর্থ ধাপের নির্বাচনে নৌকার বিপক্ষে অবস্থান নেওয়া এবং বিদ্রোহী প্রার্থী হওয়ায় তৃণমূলের সুপারিশে ৪০ জনকে স্ব স্ব পদ থেকে অব্যাহতি (বহিস্কার) দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া দলীয় শৃংখলা ভঙ্গ করায় তাদের বিরুদ্ধে চুড়ান্ত সাংগঠনিক ব্যবস্থা নিতে কেন্দ্রীয় কমিটির কাছে সুপারিশ করা হয়েছে।
বহিস্কৃতরা হলেন বগুড়া সদরের এরুলিয়া ইউনিয়নে বিদ্রোহী প্রার্থী সাবেক ছাত্র নেতা ও আওয়ামী লীগ নেতা রবিউল ইসলাম লিটন, কাহালু উপজেলার সদর ইউনিয়নে উপজেলা যুবলীগ সভাপতি পিএম বেলাল হোসেন, নারহট্ট ইউনিয়নে উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহসভাপতি আবদুল রহিম প্রামানিক ও কালাই ইউনিয়নে বর্তমান চেয়ারম্যান শ্রমিক লীগের সাবেক নেতা আবু তাহের সরদার হান্নান, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ নেতা রুবেল হোসেন এবং উপজেলা জননেত্রী শেখ হাসিনা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক শাহজাহান আলী।
নন্দীগ্রাম উপজেলার ভাটরা ইউনিয়নে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা মজনুর রহমান মজনু ও আওয়ামী লীগ নেতা আবদুল্লাহ হেল বাকী এবং ভাটগ্রাম ইউনিয়নে ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি রেজাউল দৌলা ববি।
জেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক আল রাজি জুয়েল জানান, চতুর্থ ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীর বিরুদ্ধে বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেওয়ায় আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ, সহযোগি সংগঠনের নয় নেতৃবৃন্দকে স্ব স্ব পদ থেকে অব্যাহতি প্রদান করা হয়েছে।
এছড়া দলীয় শৃঙ্খলা অমান্য করায় তাদের বিরুদ্ধে চুড়ান্ত সাংগঠনিক ব্যবস্থা নিতে কেন্দ্রীয় কমিটির কাছে সুপারিশ করা হয়েছে। তিনি আরো বলেন, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে নৌকার বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ায় তৃণমূল নেতৃবৃন্দের সুপারিশে এ নিয়ে মোট ৪০ নেতাকর্মীকে সংগঠনের পদ থেকে অব্যাহতি (বহিস্কার) দেওয়া হলো। তিনি দাবি করেন, এতে নির্বাচন বা সংগঠনের কোন ক্ষতি হবেনা।