বাংলা হেডলাইনস বগুড়া প্রতিনিধি: বগুড়া জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি, প্রবীণ রাজনীতিক ডা. মকবুল হোসেন আবারও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন। সাদা মনের মানুষ হিসেবে পরিচিত এ নেতাকে মনোনয়ন দেওয়ায় ত্যাগী নেতাকর্মীদের মাঝে স্বস্তি দেখা দিয়েছে।
গত শনিবার বিকালে গণভবনে সংসদীয় ও স্থানীয় সরকার জনপ্রতিনিধি মনোনয়ন বোর্ডের যৌথসভায় এ মনোনয়ন দেওয়া হয়। আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, ডা. মকবুল হোসেন ১৯৩৪ সালে বগুড়ার এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। নবম শ্রেণীতে পড়াকালে তিনি ছাত্রলীগের মিছিল ও সভা-সমাবেশে অংশ নিতেন। ১৯৫০ সালে ম্যাট্রিকুলেশন পাশ করার পর একটি বেসরকারি মেডিকেল স্কুলে ভর্তি হন। সেখান থেকে কৃতিত্বের সাথে ‘এলএমএফ’ ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে যুক্তফ্রন্টের প্রার্থীর পক্ষে প্রচারনায় অংশ নেন। এ সময় তিনি আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে সক্রিয় হন। রাজনীতির পাশাপাশি ডা. মকবুল হোসেন বগুড়া শহরের নারুলী এলাকায় চেম্বারে চিকিৎসা সেবা দেওয়া শুরু করেন।
গত ২০১১ সালের ডিসেম্বরে তাকে প্রথমবারের মত বগুড়া জেলা পরিষদের প্রশাসকের দায়িত্ব দেওয়া হয়। ২০১৭ সালে তিনি জেলা পরিষদ নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। সর্বশেষ ২০২২ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচনেও চেয়ারম্যান পদে দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন।
জানা গেছে, এবারের জেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যানে পদে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের ১১ নেতা দলীয় মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন। এরপর থেকে সকলের মুখে একই প্রশ্ন ছিল এবার কে নৌকার মাঝি হচ্ছেন। সকল জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে গত ১০ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মনোনয়ন বোর্ড ডা. মকবুল হোসেনকে চেয়ারম্যান পদে মনোনয়ন দেয়।
যারা চেয়ারম্যান পদে মনোনয়ন চেয়েছিলেন, তারা হলেন জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ডা. মকবুল হোসেন, অপর সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট রেজাউল করিম মন্টু, সহ-সভাপতি টি. জামান নিকেতা, যুগ্ম সম্পাদক ও জেলা পরিষদের সাবেক প্যানেল চেয়ারম্যান-০১ আসাদুর রহমান দুলু, প্রচার ও প্রকাশনা
সম্পাদক সাবেক প্যানেল চেয়ারম্যান-২ সুলতান মাহমুদ খান রনি, অ্যাডভোকেট জাকির হোসেন নবাব, মাহফুজুর রহমান রাজ, শুভাশীষ পোদ্দার লিটন, জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক মঞ্জুরুল আলম মোহনের স্ত্রী কোহিনুর মোহন প্রমুখ।