শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:০৮ অপরাহ্ন
পরীক্ষামূলক সম্প্রচার:
জাপানের সঙ্গে বৈঠকে তৃতীয় কোনো দেশ নিয়ে আলোচনা হয়নি: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে: জামায়াত ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে মির্জা ফয়সল বিপুল ভোটে বিজয়ী তাহসিফের মৃত্যু নিয়ে এখনই মন্তব্য করতে চান না স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ঠাকুরগাঁও উপনির্বাচন সুষ্ঠু না হলে কঠোর আন্দলনের হুশিয়ারি জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোটের ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্য সরকারকে বিব্রতকর অবস্থায় ফেলেছে: রিজভী জাপান-বাংলাদেশ বন্ধুত্ব হবে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির চালিকাশক্তি: প্রধানমন্ত্রী প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন নগরী প্রতিষ্ঠায় জাপানকে সহযোগিতার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর সরকার অনুমতি দিলে ক্রসফায়ারে যেতে পারে পুলিশ: আইজিপি ডিসেম্বরে হাসিনার ফেরার খবরে অস্থিরতার সুযোগ দেবে না সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

রাঙ্গামাটিতে বিশ্ব মৃত্তিকা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা

  • আপডেট টাইম : সোমবার, ৫ ডিসেম্বর, ২০২২
  • ১৫৮ দেখা হয়েছে

বাংলা হেডলাইনস রাঙ্গামাটি প্রতিনিধি: মাটির ক্ষয়রোধে আমাদের ভাবনার সময় হয়ে গেছে। আগামী প্রজন্মের জন্য মাটির ক্ষয়রোধে আমাদের সজাগ হতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মিজানুর রহমান।

তিনি বলেন, মাটিতে ইচ্ছেমত চাষাবাদ, পাহাড় কেটে বাগান করা যাবে না। এই জন্য ব্যাপক পরিকল্পনা দরকার। আমরা প্রকৃতির সাথে যেমন আচরণ করবো প্রকৃতি তা নিরবে ফিরিয়ে দিবে। যেমন রাঙ্গামাটিতে ২০১৭ সালে ভূমিধস হয়েছিল। এতে অনেকেই মারা গেছে, অনেকেই ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। তাই মাটি ক্ষয়রোধে আমাদের সবাইকে সচেতন হতে হবে।

সোমবার (৫ ডিসেম্বর) সকালে জেলা মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইন্সটিটিউট রাঙ্গামাটি জেলা কার্যালয়ের আয়োজনে জেলা প্রশাসনের মিলনায়তনে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

এসময় সভায় বক্তাব্য রাখেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সাইফুল ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) নাসরিন সুলতানা, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর রাঙ্গামাটি কার্যালয়ের উপ-পরিচালক তপন কুমার পাল, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা শ্রীবাস চন্দ্র চন্দ সাহা।

সভায় মৃত্তিকা সম্পদের উপর গুরুত্বরোপ করে সভায় প্রতিবেদন উত্থাপন করেন, মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইন্সটিটিউট রাঙ্গামাটি কার্যালয়ের ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ঊষালয় চাকমা।

রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মিজানুর রহমান আরো বলেন, মাটিতে যদি জৈব সার ব্যবহার করা যায় তাহলে মাটির তেমন ক্ষতি হবে না। মাটির ক্ষয়রোধ এড়াতে আমাদের রাসায়নিক সার এড়িয়ে চলতে হবে। পাশাপাশি ফরেস্ট বিভাগও মাটির সাথে সম্পর্ক রয়েছে। তাদেরও সেগুন গাছ অনেক ক্ষতিকর। এইজন্য তিনি মৃত্তিকা সম্পদ কর্তৃপক্ষকে এ ব্যাপারে সজাগ করতে অবহিত করেন।

ফেসবুকের মাধ্যমে আমাদের মতামত জানাতে পারেন।

খবরটি শেয়ার করুন..

এই বিভাগের আরো সংবাদ
Banglaheadlines.com is one of the leading Bangla news portals, Get the latest news, breaking news, daily news, online news in Bangladesh & worldwide.
Designed & Developed By Banglaheadlines.com