বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১০:০৬ অপরাহ্ন
পরীক্ষামূলক সম্প্রচার:
ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্য সরকারকে বিব্রতকর অবস্থায় ফেলেছে: রিজভী জাপান-বাংলাদেশ বন্ধুত্ব হবে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির চালিকাশক্তি: প্রধানমন্ত্রী প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন নগরী প্রতিষ্ঠায় জাপানকে সহযোগিতার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর সরকার অনুমতি দিলে ক্রসফায়ারে যেতে পারে পুলিশ: আইজিপি ডিসেম্বরে হাসিনার ফেরার খবরে অস্থিরতার সুযোগ দেবে না সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী স্থানীয় নির্বাচন নিয়ে এখনো ভালো লক্ষণ দেখছি না : জামায়াত আমির সৌদি আরবে কারাবন্দি ৭৫০০ বাংলাদেশি : শামা ওবায়েদ মোংলা বন্দর-সুন্দরবন ও প্রস্তাবিত অর্থনৈতিক অঞ্চল পরিদর্শন প্রধানমন্ত্রীর সাজেকে গোলাগুলি।। ২,৯৩৩ পর্যটককে সরিয়ে নিল নিরাপত্তা বাহিনী দুর্নীতি বন্ধে আগে রাজনৈতিক নেতাদের সৎ হতে হবে: আইনমন্ত্রী

রাঙ্গামাটিতে শুরু হয়েছে তিন পার্বত্য জেলার ১৬টি সম্প্রদায়ের ফুড এন্ড কালচারাল ফেস্টিভ্যাল

  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪
  • ৩৩৮ দেখা হয়েছে

বাংলা হেডলাইনস রাঙ্গামাটি প্রতিনিধি : পার্বত্য তিন জেলার ১৬টি সম্প্রদায়ের রসনাবিলাস সমৃদ্ধ ঐতিহ্যবাহী খাদ্য, কৃষ্টি ও সংস্কৃতির প্রতিফলন এবং সকল সম্প্রদায়ের মধ্যে পারস্পরিক সৌহার্দ ও ভ্রাতৃত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরো সুদৃঢ় করার লক্ষে রাঙ্গামাটি চিং হ্লা মং চৌধুরী মারী স্টেডিয়ামে শুরু হয়েছে তিন দিনের ফুড এন্ড কালচারাল ফেস্টিভ্যাল।

পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের আয়োজনে বৃহস্পতিবার বেলা ৩টায় জাকজমকপূর্ণভাবে ফেস্টিভ্যালের উদ্বোধন করেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা।

পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান রাষ্ট্রদূত (অব.) সুপ্রদীপ চাকমার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে গেস্ট অব অনার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, রাঙ্গামাটি সংসদ সদস্য দীপংকর তালুকদার এমপি। পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মো: মশিউর রহমান।

পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চল (রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান) দেশের অন্যতম পর্যটন অঞ্চল। দেশের পাহাড়ের এ পর্যটন সম্পদের সম্ভাবনা প্রসারিত ও বিকশিত করায় উদ্দেশ্যে আয়োজন এ ফুড ফেস্টিভ্যালের। পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড এর আয়োজনে ১-৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত তিন দিনব্যাপী ফুড এন্ড কালচারাল ফেস্টিভ্যাল-চলবে।

ফেস্টিভ্যালে পার্বত্য অঞ্চলের বসবাসরত চাকমা, মারমা, ত্রিপুরা, ম্রো, তঞ্চগ্যা, বাঙ্গালি, গুর্খা, অহমিয়া, খেয়াং, খুমি, চাক, পাংখোয়া, বম, লুসাই, রাখাইন এবং সাঁওতালসহ ১৬টি সম্প্রদায় অংশগ্রহণ করছে। এ সকল সম্প্রদায়ের ঐতিহ্যবাহী খাবারসহ তাদের নিজস্ব কৃষ্টি ও সংস্কৃতির প্রতিফলন ঘটবে এবং এর ফলে দেশের অর্থনীতিতে অবদান রাখার সুযোগ সৃষ্টি হবে বলে মনে করছেন আগত দর্শনার্থীরা।

আয়োজকদের আশা এ ফুড ফেস্টিভ্যাল আয়োজনের মাধ্যমে পার্বত্যাঞ্চলে বসবাসকারী সকল সম্প্রদায়ের ঐতিহ্যবাহী বাহারি খাবারের সমাহার, কৃষ্টি ও সংস্কৃতি দেশ-বিদেশের পর্যটকদের আকর্ষণ করবে।

প্রতিদিন বেলা ৩টা থেকে রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত তিন দিনব্যাপী অনুষ্ঠান চলবে। বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে তিনদিন ব্যাপী সকল সম্প্রদায়ের ঐতিহ্যবাহী খাবারের বাহারি সমাহার এবং থাকবে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন।

ফেস্টিভ্যালের মূল থিম হচ্ছে পার্বত্যাঞ্চলে বসবাসকারীদের ঐতিহ্যবাহী খাবার এবং সংস্কৃতির প্রতিফলন। আর এর মাধ্যমে পার্বত্যাঞ্চলে বসবাসকারী সকল সম্প্রদায়ের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যপূর্ণ বন্ধন সুদৃঢ় হবে বলে আয়োজকরা আশা করছেন।

ফেসবুকের মাধ্যমে আমাদের মতামত জানাতে পারেন।

খবরটি শেয়ার করুন..

এই বিভাগের আরো সংবাদ
Banglaheadlines.com is one of the leading Bangla news portals, Get the latest news, breaking news, daily news, online news in Bangladesh & worldwide.
Designed & Developed By Banglaheadlines.com