বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ১০:২২ পূর্বাহ্ন
পরীক্ষামূলক সম্প্রচার:
দুর্নীতি বন্ধে আগে রাজনৈতিক নেতাদের সৎ হতে হবে: আইনমন্ত্রী ইশরাকের মাদকবিরোধী অভিযানকে নেতিবাচক বলার সুযোগ নেই: জামায়াত আমির অর্থ দিচ্ছে পালিয়ে যাওয়া স্বৈরাচার, অস্থিরতার চেষ্টা করছে একটি দল : প্রধানমন্ত্রী দল ও প্রধানমন্ত্রীকে বিব্রত করতে চাইনি, স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেছি: ইশরাক মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশের গুঞ্জন।। মধ্যরাতে ইশরাকের ফেসবুক বার্তা শেরেবাংলা নগরে যাচ্ছে সচিবালয় কক্সবাজারে রিসোর্টে আগুন ।। নিহত ১০, একই পরিবারের ৬জন বাংলাদেশের সঙ্গে অংশীদারত্ব চুক্তির পথে বিশ্বব্যাংক: অর্থমন্ত্রী সার ডিলার নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগ, তদন্তের দাবি জামায়াতের অপারেশন ক্লিন হার্টের মতো অভিযান চালানোর পরিকল্পনা নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

রাজশাহী থেকে যেভাবে পাসপোর্ট করে ভারতীয় নাগরিক হাফিজ আহমেদ

  • আপডেট টাইম : রবিবার, ১৫ মার্চ, ২০২০
  • ৩৩৪ দেখা হয়েছে

বাংলা হেডলাইনস  রাজশাহী : রাজশাহীতে পুলিশের প্রতিবেদন গোপন করে ভারতীয় নাগরিককে পাসপোর্ট দেওয়ার ঘটনায় বিভাগীয় পাসপোর্ট অফিসের সহকারী পরিচালকসহ আটজনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। কিন্তু যে ভারতীয় নাগরিককে এ পাসপোর্ট দেওয়া হয়েছিল, সেই হাফিজ আহমেদের পরিচয় নিশ্চিত হতে তৎপরতা শুরু করেছে গোয়েন্দা সংস্থা। ভারতের নাগরিক হয়ে বাংলাদেশের পাসপোর্ট নিয়ে সৌদি আরব চলে যান হাফিজ আহমেদ। গোয়েন্দা সংস্থার ধারণা, এই হাফিজ আহমেদ জঙ্গি অথবা শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের সহকারী পরিচালক মামুনুর রশিদ বলেন, ‘ভারতীয় নাগরিককে পাসপোর্ট দেওয়া বড় ধরনের অপরাধ। হাফিজ আহমেদের বিরুদ্ধে ভারতে দু-তিনটি মামলা আছে। তবে ওই মামলাগুলো নাশকতাসংশ্লিষ্ট নাকি মাদকসংশ্লিষ্ট, তা আমরা এখনো নিশ্চিত নই। তবে এ দুটির যে কোনো একটি- সেটি প্রায় নিশ্চিত বিভিন্ন সংস্থা। হাফিজের সে বিষয়গুলো তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।’

মামলা থেকে জানা যায়, ২০১৭ সালের ৬ জুন আসামি হাফিজ আহমেদ ভারতীয় নাগরিক হওয়া সত্তে¡ও রাজশাহী নগরীর ছোট বনগ্রাম সপুরা এলাকার বাসিন্দা হিসেবে রাজশাহী পাসপোর্ট অফিসে পাসপোর্টের জন্য প্রি-এনরোলমেন্ট (আবেদন) সম্পন্ন করেন। এরপর মামলার দুই নম্বর আসামি রঞ্জুলাল সরকার ওই আবেদনটি অবৈধভাবে নিজ হেফাজতে রাখেন। পাসপোর্টের বিভিন্ন কার্যক্রম সম্পন্ন করে ওই বছরের ১২ জুলাই পুলিশ প্রতিবেদনের জন্য ৪৩টি আবেদনপত্রের সঙ্গে হাফিজ আহমেদেরও প্রয়োজনীয় তথ্য পাঠানো হয় নগর পুলিশের বিশেষ শাখায়। এরপর ৩১ জুলাই পুলিশের পক্ষ থেকে হাফিজ আহমেদকে ভারতীয় নাগরিক বলে প্রতিবেদন পাঠানো হয় পাসপোর্ট অফিসে। কিন্তু এ তথ্য গোপন করেন পাসপোর্ট অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

ফলে ওই বছরের ১৬ আগস্ট পাসপোর্টটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে অনুমোদনের জন্য মডিউলে চলে যায়। এরপর একই বছরের ৩০ আগস্ট পাসপোর্টটির চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়। অনুমোদনের পর ওই বছরের ৭ সেপ্টেম্বর পাসপোর্টটি গ্রহণ করেন হাফিজ আহমেদ। পাসপোর্ট পেয়ে তিনি বাংলাদেশ বিমানের বিজি ০০৩৫ ফ্লাইটযোগে ২০১৮ সালের ২৪ জানুয়ারি সৌদি আরবের উদ্দেশে বাংলাদেশ ত্যাগ করেন। এরপর তার আর খোঁজ পাওয়া যায়নি। পরে পাসপোর্টের আবেদনসহ অন্যসব কাগজপত্র রাজশাহী বিভাগীয় পাসপোর্ট অফিস থেকে গায়েব করে দেওয়া হয়।
ভারতীয় একটি সংস্থার কাছ থেকে তথ্য পেয়ে বাংলাদেশের একটি গোয়েন্দা সংস্থা হাফিজ আহমেদের বিষয়টি নিয়ে তৎপর হলে এমন জালিয়াতির বিষয়টি ধরা পড়ে। এরপর পাসপোর্ট অফিসের কর্মচারী রঞ্জুলালকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা তুলে নিয়ে কয়েক দফা জিজ্ঞাসাবাদ করেন। এতে বেরিয়ে আসে এই বড় অনিয়মের ঘটনা।

ফেসবুকের মাধ্যমে আমাদের মতামত জানাতে পারেন।

খবরটি শেয়ার করুন..

এই বিভাগের আরো সংবাদ
Banglaheadlines.com is one of the leading Bangla news portals, Get the latest news, breaking news, daily news, online news in Bangladesh & worldwide.
Designed & Developed By Banglaheadlines.com