র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ান শুক্রবার রাজধানী ঢাকা থেকে যুবলীগের কেন্দ্রীয় নেতা জি কে শামীম ও তার ৭ জন দেহরক্ষীকে অস্ত্র সহ আটক করে। আনুমানিক সকাল ৬ টা থেকে প্রায় ১১ ঘণ্টা র্যাব শামীমের গুলশানস্থ নিকেতনের বাসায় ও অফিসে অভিযান চালিয়ে অফিস থেকে একটি আগ্নেয়অস্ত্র, নগদ ১ কোটি ৮০ লাখ টাকা, ১৬৫ কোটি ২৮ লক্ষ টাকার এফডিআর এর ডকুমেন্ট ও মদ উদ্ধার ও জব্দ করেছে।
অভিযান শেষে বিকাল সারে ৪টার দিকে র্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারোয়ার আলম সাংবাদিকদের জানান কয়েকটি সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে শামীমকে আটক করা হয়েছে।তিনি জানান শামীমের বিরুদ্ধে মানিলন্ডারিং অভিযোগ রয়েছে, অস্ত্র প্রদর্শনের মাধ্যমে চাদাবাজি ও টেন্ডারবাজির অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে এবং তার কাছে কিছু মাদক পাওয়া গেছে।
সারোয়ার আলম জানান তার কাছ থেকে ১৬৫ কোটি ২৮ লাখ টাকার এফডিআর এর চেক পাওয়া গেছে যার মধ্য ১ কোটি ৪০ লাখ তার মায়ের নামে এবং বাকী টাকা শামীমের নামে।শামীমের মায়ের কোন বড় ব্যবসা নেই।
র্যাবের পরিচালক (আইন ও গণমাধ্যম)লে.কর্নেল সারোয়ার বিন কাশেম বলেন আমরা শামীমের ৭ জন দেহরক্ষীকে গ্রেপ্তার করেছি এবং তাদের কাছ থেকে ৭ টি শটগান পেয়েছি।তিনি বলেন শামীমের কাছ থেকে ১ কোটি ৮০ লাখ টাকা নগদ পেয়েছে এবং একটি আগ্নেয়অস্ত্র পেয়েছে।
জানা যায় শামীম পেশায় একজন প্রভাবশালী ঠিকাদার এবং সে সরকারের গণপূর্ত ভবনে ঠিকাদারী করে।শামীম যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সমবায় বিষয়ক সম্পাদক এবং নারায়ণগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি।শামীম বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত ছিল।পরবর্তিতে ক্ষমতার পটপরিবর্তনে আওয়ামী লীগে যোগ দেয়।
যুবলীগের চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরী শুক্রবার এক অনুষ্ঠানে দাবি করেন জি কে শামীম যুবলীগের কেউ না।
গত বুধবার র্যাব ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও ইয়াংমেনস ক্লাবের অবৈধ ক্যাসিনোর মালিক খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়াকে তার গুলশানের বাসা থেকে গ্রেপ্তার করে।