বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:১৬ পূর্বাহ্ন
পরীক্ষামূলক সম্প্রচার:
ঠাকুরগাঁও উপনির্বাচন সুষ্ঠু না হলে কঠোর আন্দলনের হুশিয়ারি জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোটের ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্য সরকারকে বিব্রতকর অবস্থায় ফেলেছে: রিজভী জাপান-বাংলাদেশ বন্ধুত্ব হবে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির চালিকাশক্তি: প্রধানমন্ত্রী প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন নগরী প্রতিষ্ঠায় জাপানকে সহযোগিতার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর সরকার অনুমতি দিলে ক্রসফায়ারে যেতে পারে পুলিশ: আইজিপি ডিসেম্বরে হাসিনার ফেরার খবরে অস্থিরতার সুযোগ দেবে না সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী স্থানীয় নির্বাচন নিয়ে এখনো ভালো লক্ষণ দেখছি না : জামায়াত আমির সৌদি আরবে কারাবন্দি ৭৫০০ বাংলাদেশি : শামা ওবায়েদ মোংলা বন্দর-সুন্দরবন ও প্রস্তাবিত অর্থনৈতিক অঞ্চল পরিদর্শন প্রধানমন্ত্রীর সাজেকে গোলাগুলি।। ২,৯৩৩ পর্যটককে সরিয়ে নিল নিরাপত্তা বাহিনী

বগুড়ায় শিক্ষকের বিরুদ্ধে ৪র্থ শ্রেণীর দুই ছাত্রীকে যৌণ হয়রানির অভিযোগ

  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ১৯ ডিসেম্বর, ২০১৯
  • ৭১৩ দেখা হয়েছে

বাংলা হেডলাইনস বগুড়া : বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলার একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে চতুর্থ শ্রেণীর দুই ছাত্রীকে যৌণ হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। এ সংক্রান্ত ভিডিও ফুটেজ পাওয়া গেছে। এ ব্যাপারে গঠিত তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি বৃহস্পতিবার স্কুলে এসে তদন্ত করেছেন।

এক ছাত্রীর মা শাজাহানপুর থানায় ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা করেন। অভিযুক্ত শিক্ষক গত ১৬ ডিসেম্বর থেকে স্কুলে অনুপস্থিত রয়েছেন। মামলা ও অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, রামচন্দ্রপুর বালক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকসহ ৮ জন শিক্ষিকা এবং জাহাঙ্গীর আলম একমাত্র শিক্ষক। তার আচরণে শিক্ষিকারা  অতিষ্ঠ। গত ৪ ডিসেম্বর দুপুরে ক্লাস বিরতির সময় শিক্ষক জাহাঙ্গীর আলম দুই ছাত্রীকে প্রাইভেট পড়ানোর কথা বলে তৃতীয় তলার একটি রুমে নিয়ে যান। তিনি সেখানে তাদের যৌণ হয়রানি করেন। এতে ছাত্রীরা মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে। ওই সময় কেউ এ ঘটনাটি গোপনে ভিডিও করে। লোকমুখে জানতে পেরে এক ছাত্রীর মা এ ব্যাপারে শিক্ষক জাহাঙ্গীর আলমের কাছে জানতে চান। তখন তিনি ক্ষিপ্ত হন এবং ছাত্রীকে স্কুল থেকে বের করে দেবার হুমকি দেন।

গত ১৪ ডিসেম্বর কে বা কারা ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা নাসরিন আখতারের কক্ষে একটি খামে চিরকুট ও ছাত্রীদের হয়রানির ভিডিও সিডি রেখে যায়। চিরকুটে অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ করা হয়।  প্রধান শিক্ষিকা এ ব্যাপারে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নিতে ১৫ ডিসেম্বর উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে অভিযোগ দেন। এর সাথে দুই ছাত্রীর অভিভাবকের অভিযোগ ও সিডি সংযুক্ত করা হয়।

উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ফারুক উদ্দিন ১৮ ডিসেম্বর উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার তাহেরুল ইসলামকে প্রধান করে উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার জহুরুল ইসলাম ও মোহাম্মদ পারভেজকে সদস্য করে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেন। তদন্ত কমিটি ১৯ ডিসেম্বর বিদ্যালয়ে এসে তদন্ত করেন। সহকারি শিক্ষা অফিসার তাহেরুল ইসলাম জানান, স্কুলের প্রধান শিক্ষক, ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি, সদস্য, অভিভাবক ও ভুক্তভোগী ছাত্রীদের সাথে কথা বলেছেন।

এছাড়া ভিডিও ফুটেজ দেখা হয়েছে। তিনি আরো জানান, অভিযুক্ত শিক্ষক জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তিনি গত ১৬ ডিসেম্বর থেকে স্কুলে অনুপস্থিত রয়েছেন। অভিভাবকরা শিক্ষক জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করতে সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন। অন্যথায় তারা তাদের সন্তানদের অন্য স্কুলে নিয়ে যাবেন। অভিযুক্ত শিক্ষক মোবাইল ফোন বন্ধ রাখায় তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে তার পরিবারের সদস্যরা দাবি করেছেন, তিনি বড় ষড়যন্ত্রের শিকার হয়েছেন।

ফেসবুকের মাধ্যমে আমাদের মতামত জানাতে পারেন।

খবরটি শেয়ার করুন..

এই বিভাগের আরো সংবাদ
Banglaheadlines.com is one of the leading Bangla news portals, Get the latest news, breaking news, daily news, online news in Bangladesh & worldwide.
Designed & Developed By Banglaheadlines.com