বাংলা হেডলাইনস রাজশাহী : রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের সম্মেলন আগামী ১ মার্চ। আর এই সম্মেলন ঘিরে বাড়ছে গুঞ্জন, ছড়াচ্ছে গুজব ! নেতৃত্বে পরিবর্তন আসছে ? সম্মেলন নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন নেতা কর্মীরা। আর তাদের অনুসারীরাও ছুটছেন সমান তালে।
এরই মাঝে শুরু হয়েছে নানা গুঞ্জন। গুজবের ডালপালা ছড়াচ্ছে বাতাসের গতিতে। যে যার নিজের মত করে তথ্য প্রচার করছেন। এদিকে, সম্মেলনকে ঘিরে চাপে আছেন সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদ প্রত্যাশিরা। তারা তাদের উন্নয়ন কর্মকান্ড জানান দিচ্ছেন নেতা কর্মীদের মধ্যে।
পাঁচ বছর পর অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই সম্মেলনে সভাপতি পদে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটনের বিকল্প দেখছেন না অধিকাংশ নেতা-কর্মীরা। তবে সাধারণ সম্পাদক পদ নিয়ে দেখা দিয়েছে চরম বিভক্তি। ইতিমধ্যেই প্রায় এক ডজন নেতা সাধারণ সম্পাদক হতে মাঠে নেমে প্রচার-প্রচারণা চালাচ্ছেন। লাগিয়েছেন পোস্টার, ব্যানার ফেস্টুনও। দলের কেন্দ্রেও জোর তদবির চালাচ্ছেন তারা।
ঠিক এই সময় সাধারন সম্পাদক হিসেবে শক্তিশালী প্রার্থী হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছেন রাজশাহী মহনগর যুবলীগের সভাপতি রমজান আলী। সমালোচনার ঝড় থামিয়ে যোগ্য নেতৃত্ব ও উন্নত দল গঠনে ভুমিকা রাখতে চান তিনি।
রমজান আলী বলেন, অপ্রতিরোধ্য গতিতে এগিয়ে চলেছে বাংলাদেশ। পরপর তিন মেয়াদ ক্ষমতায় থাকার কারনে এই উন্নয়ন সম্ভব হয়েছে। কিন্তু বঙ্গবন্ধুর সেই কাঙ্খিত সোনার বাংলা আজও হয়নি। যারা দলের ত্যাগী নেতা তাদেরকে নিয়ে প্রধনমন্ত্রীর হাতকে আরও শক্তিশালী করতে চাই। দলে দুর্নীতিবাজ, তেলবাজ, আত্মসাৎকারী ও ভূমিদস্যুদের আস্ফালন । তাই দলকে সু-সংগঠিত করতে দরকার একজন যোগ্য ও সৎ নেতৃত্বর সেটি আমি করতে চাই।
তিনি আরও বলেন, আমি ১৯৯৭ থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের রাজশাহী মহানগর ১নং সহ-সভাপতি ও ২০০৪ থেকে ২০১৬ পর্যন্ত সভাপতি এবং ২০১৬ থেকে এখন পর্যন্ত সভাপতি হিসেবে সৎ ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করছি। এছাড়াও ১৯৯০ সালে গণ আন্দোলনের রাজপথে সক্রিয় অংশগ্রহণ, ১৯৯৬ সালে জাতীয় নির্বাচনে একত্রীভুত ও দলীয় প্রার্থীর পক্ষে সক্রিয় অংশগ্রহণ, যুব সমাজকে সংগঠিত করে জামাত-বিএনপি’র বিরুদ্ধে জোরালো অবস্থান গড়ে তুলি।
রমজান আলী বলেন ২০১৮ সালে অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজশাহী-২ আসনের আওয়ামী লীগ ও মহাজোট মনোনিত প্রার্থীর নির্বাচনী প্রচারণায় সক্রিয় অংশগ্রহণ সহ আলাদা কমিটি করে প্রচার সেল গঠন করি।
তিনি দাবি করেন আমি যুবলীগের পনেরো বছর সভাপতি থাকাকালীন রাজশাহী মহানগরে প্রায় ১৫০০০ কর্মীর মধ্যে কখনও দ্বীধাবোধ সৃষ্টি হতে দেয়নি।