বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:০২ পূর্বাহ্ন
পরীক্ষামূলক সম্প্রচার:
ঠাকুরগাঁও উপনির্বাচন সুষ্ঠু না হলে কঠোর আন্দলনের হুশিয়ারি জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোটের ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্য সরকারকে বিব্রতকর অবস্থায় ফেলেছে: রিজভী জাপান-বাংলাদেশ বন্ধুত্ব হবে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির চালিকাশক্তি: প্রধানমন্ত্রী প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন নগরী প্রতিষ্ঠায় জাপানকে সহযোগিতার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর সরকার অনুমতি দিলে ক্রসফায়ারে যেতে পারে পুলিশ: আইজিপি ডিসেম্বরে হাসিনার ফেরার খবরে অস্থিরতার সুযোগ দেবে না সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী স্থানীয় নির্বাচন নিয়ে এখনো ভালো লক্ষণ দেখছি না : জামায়াত আমির সৌদি আরবে কারাবন্দি ৭৫০০ বাংলাদেশি : শামা ওবায়েদ মোংলা বন্দর-সুন্দরবন ও প্রস্তাবিত অর্থনৈতিক অঞ্চল পরিদর্শন প্রধানমন্ত্রীর সাজেকে গোলাগুলি।। ২,৯৩৩ পর্যটককে সরিয়ে নিল নিরাপত্তা বাহিনী

নওগাঁয় পুলিশের নির্যাতনে মাদক মামলার আসামির মৃত্যুর অভিযোগ

  • আপডেট টাইম : সোমবার, ১৮ মে, ২০২০
  • ২৬৯ দেখা হয়েছে

বাংলা হেডলাইনস নওগাঁ : নওগাঁয় নরেশ চন্দ্র দাস (৫০) নামে মাদকের মামলার আসামিকে পিটিয়ে মারার অভিযোগ উঠেছে জেলা সদর থানার এক পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। ওই পুলিশ কর্মকর্তা হলেন- সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) মাসুদ।

নিহত নরেশ চন্দ্র দাস নওগাঁ শহরের মুন্সিপাড়ার নিমাই চন্দ্র দাসের ছেলে। গতকাল রোববার (১৭ মে) সন্ধ্যা ৭টার দিকে শহরের ডা. শাহিদার চেম্বারের পাশে এ ঘটনা ঘটে।

নিহতের ছেলে পরশের অভিযোগ, রোববার সকাল থেকে বাবাকে এএসআই মাসুদ তিনবার ফোন করে বাড়ির বাইরে যেতে বলেন। বাবা বাইরে যাননি। পরে সন্ধ্যার দিকে এএসআই মাসুদসহ দুই/তিনজন বাড়িতে এসে বাবাকে ডেকে নিয়ে যান।

সন্ধ্যার দিকে ডা. শাহিদার চেম্বারের পাশে বাবার চিৎকার শোনা যায়। এ সময় স্থানীয় এক ব্যক্তি টর্চলাইট জ্বালালে এএসআই মাসুদসহ কয়েকজনকে থানার দিকে দৌঁড়ে যেতে দেখেন।

পরে স্থানীয়রা এসে দেখেন বাবা অচেতন অবস্থায় সেখানে পড়ে আছেন। এরপর তাকে উদ্ধার করে নওগাঁ সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক বাবাকে মৃত ঘোষণা করেন। বাবা আগে থেকেই হার্টের রোগী ছিলেন।

নিহতের স্ত্রী রিতা রানী বলেন, মানুষ যতই অপরাধ করুক না কেন তাকে তো পিটিয়ে মেরে ফেলার অধিকার কারও নেই। স্বামীকে পিটিয়ে মেরে ফেলায় ওই অভিযুক্ত পুলিশের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানান তিনি।

তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন এএসআই মাসুদ। তিনি বলেন, আমি নরেশ চন্দ্র দাসকে ফোন করেছি কি-না, তা ফোন ট্র্যাক করলেই তার প্রমাণ পাওয়া যাবে। তাকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে আসা বা পিটিয়ে মেরে ফেলার সঙ্গে তিনি সম্পৃক্ত নন বলে জানান।

এ বিষয়ে বক্তব্য নিতে নওগাঁ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোহরাওয়ার্দী হোসেনের মোবাইল ফোনে একাধিকার বার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি।

নওগাঁ সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক (আরএমও) ডা. মুনির আলী আকন্দ বলেন, পুলিশি নির্যাতনের বিষয় ছিল কিনা তা জানি না। তবে বাইরে মারা যাওয়া এক রোগীকে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছিল।

সোমবার (১৮ মে) ময়নাতদন্তের পর জানাবে যে, তিনি আসলে কীভাবে মারা গেছেন।

জানা গেছে, নরেশ চন্দ্র দাস একসময় মাদক ব্যবসার সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। পরবর্তীতে শহরের বালুডাঙ্গা বাসস্ট্যান্ডে মুদি দোকান দিয়ে জীবিকা নির্বাহ করে আসছিলেন তিনি। তার বিরুদ্ধে ছয়টি মাদকের মামলা রয়েছে।

ফেসবুকের মাধ্যমে আমাদের মতামত জানাতে পারেন।

খবরটি শেয়ার করুন..

এই বিভাগের আরো সংবাদ
Banglaheadlines.com is one of the leading Bangla news portals, Get the latest news, breaking news, daily news, online news in Bangladesh & worldwide.
Designed & Developed By Banglaheadlines.com