শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৪০ পূর্বাহ্ন
পরীক্ষামূলক সম্প্রচার:
মোংলা বন্দর-সুন্দরবন ও প্রস্তাবিত অর্থনৈতিক অঞ্চল পরিদর্শন প্রধানমন্ত্রীর সাজেকে গোলাগুলি।। ২,৯৩৩ পর্যটককে সরিয়ে নিল নিরাপত্তা বাহিনী দুর্নীতি বন্ধে আগে রাজনৈতিক নেতাদের সৎ হতে হবে: আইনমন্ত্রী ইশরাকের মাদকবিরোধী অভিযানকে নেতিবাচক বলার সুযোগ নেই: জামায়াত আমির অর্থ দিচ্ছে পালিয়ে যাওয়া স্বৈরাচার, অস্থিরতার চেষ্টা করছে একটি দল : প্রধানমন্ত্রী দল ও প্রধানমন্ত্রীকে বিব্রত করতে চাইনি, স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেছি: ইশরাক মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশের গুঞ্জন।। মধ্যরাতে ইশরাকের ফেসবুক বার্তা শেরেবাংলা নগরে যাচ্ছে সচিবালয় কক্সবাজারে রিসোর্টে আগুন ।। নিহত ১০, একই পরিবারের ৬জন বাংলাদেশের সঙ্গে অংশীদারত্ব চুক্তির পথে বিশ্বব্যাংক: অর্থমন্ত্রী

সিরাজগঞ্জে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৬ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস

  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ২৩ জানুয়ারী, ২০২৪
  • ৩০৯ দেখা হয়েছে

বাংলা হেডলাইনস সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: হাঁড় কাঁপানো কনকনে শীত, হিমেল হাওয়া ও শৈত্য প্রবাহ বইতে থাকায় সোমবার দুপুরে সিরাজগঞ্জের সকল মাধ্যমিক ও প্রাথমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল ৬টায় সিরাজগঞ্জে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৬ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হলেও সকাল ৯টায় তা আরো কমে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৬ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়।

সিরাজগঞ্জের বাঘাবাড়িস্থ আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোস্তফা কামাল এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) মো: আফসার আলী জানান, সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী ১০ ডিগ্রি সেলিসিয়াসের নীচে তামপাত্রা নেমে গেলেই মাধ্যমিক ও প্রাথমিক স্তরের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করতে হবে। সরকারি ওই নির্দেশনা অনুযায়ী সোমবার দুপুর থেকে জেলার মোট ৩৮৮টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ১৯২টি মাদ্রাসা ও ১৬৭১টি প্রাথমিক বিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এ কারণে আজ মঙ্গলবার ও আগামীকাল বুধবার জেলার সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। তবে বৃহস্পতিবার থেকে প্রাথমিক স্তরের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো সরকারি নতুন বেধে দেয়া সময়সূচি অনুযায়ি চলবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

এদিকে প্রচন্ড এ কনকনে হাঁড় কাপানো শীতে জেলা ও উপজেলা শহর, হাট-বাজারসহ বিভিন্ন স্থানে জনসমাগম কম দেখা গেছে। শীত নিবারণে বিভিন্ন স্থানে গরম কাপড় কিনতে ভিড় দেখা গেছে। তবে দাম বেশি হওয়ার কারণে অসহায় ও দিনমজুর মানুষ  শীতবস্ত্র কিনতে পারছে না। এমনকি কৃষকেরাও মাঠে নামতে হিমশিম খাচ্ছে এবং অনেক স্থানে আগুনের কুন্ডলি জ্বালিয়ে শীত নিবারণ করতে দেখা গেছে।

এ বিষয়ে জেলা ত্রাণ ও পূর্ণবাসন কর্মকর্তা আখতারুজ্জান বলছেন, জেলার বিভিন্ন স্থানে শীতার্তদের মাঝে ইতিমধ্যেই ৫০ হাজার কম্বল বিতরণ করা হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে আরো কম্বলের চাহিদা পাঠানো হয়েছে। তবে এ কম্বল এখনও এসে পৌছেনি বলে তিনি উল্লেখ করেন।

ফেসবুকের মাধ্যমে আমাদের মতামত জানাতে পারেন।

খবরটি শেয়ার করুন..

এই বিভাগের আরো সংবাদ
Banglaheadlines.com is one of the leading Bangla news portals, Get the latest news, breaking news, daily news, online news in Bangladesh & worldwide.
Designed & Developed By Banglaheadlines.com