বাংলা হেডলাইনস সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, দেশে দেড় বছর ধরে করোনার প্রাদুর্ভাব চলছে।
‘এ সময়ের মধ্যে ১শটি সেন্ট্রাল অক্সিজেন লাইন স্থাপন ও ৬৫০টি ল্যাবে ৫০ হাজার নমুনা পরীক্ষা করা হচ্ছে। ১৬ হাজার করোনা বেড স্থাপন করা হয়েছে। একই হাসপাতালে সাধারণ রোগী, করোনা ও ডেঙ্গু রোগীদের আলাদাভাবে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে ‘।
সোমবার বিকেলে ভার্চুয়াল পদ্ধতিতে সিরাজগঞ্জে নবনির্মিত শহীদ এম মনসুর আলী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বহি:বিভাগ সেবার উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি আরো বলেন, এই মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বহি:বিভাগের পাশাপাশি ইনডোরে করোনা রোগী চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হবে। প্রয়াত আওয়ামী লীগ নেতা মোহাম্মদ নাসিমকে স্মরণ করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, নাসিম শুধু জাতীয় নেতা ছিলেন না। তিনি আমার বড় ভাইয়ের মতো ছিলেন। তার হাতে গড়া এ হাসপাতালে মানুষ যেন সঠিক চিকিৎসা পায় সে লক্ষ্যেই আমরা কাজ করবো এবং মানিকগঞ্জের আগে সিরাজগঞ্জের এ হাসপাতালের কাজ পূর্ণাঙ্গভাবে শেষ করা হবে।
স্থানীয় এমপি অধ্যাপক ডা. হাবিবে মিল্লাত মুন্নার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সচিবালয় প্রান্ত থেকে বক্তব্য রাখেন, সিনিয়র সচিব (স্বাস্থ্যসেবা) লোকমান হোসেন মিয়া, স্বাস্থ্যশিক্ষা ও পরিকল্পনা বিভাগের সচিব মো. আলী নূর, অতিরিক্ত সচিব সাইদুর রহমান, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এবিএম খোরশেদ আলম এবং সিরাজগঞ্জ প্রান্তে বক্তব্য রাখেন, জেলা প্রশাসক ড. ফারুক আহাম্মদ, শহীদ এম মনসুর আলী মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. আমিরুল হোসেন চৌধুরী, লাইন ডাইরেক্টর ডা. সামিউল ইসলাম, জেলা আওয়ামী লীগের (ভারপ্রাপ্ত) সভাপতি কে এম হোসেন আলী হাসান, আওয়ামী লীগ নেতা আবু ইউসুফ সূর্য, হাজী ইসহাক আলীসহ বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক্স মিডীয়ার সাংবাদিকগণ উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, ২০১৫ সালে ৮শ ৮২ কোটি ৫০ লাখ টাকা ব্যয়ে ৩০.৯০ একর জায়গার উপর শহরের পশ্চিম পাশে শিয়ালকোল এলাকায় শহীদ এম মনসুর আলী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নির্মাণ কাজ শুরু হয়।
আশা করা হচ্ছে, আগামী ডিসেম্বরে পূর্নাঙ্গভাবে চালু হবে এ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল। তবে এক বছর আগেই আনুষ্ঠানিকভাবে এ হাসপাতালের কার্যক্রম চালু হয়েছে ।