বাংলা হেডলাইনস রাঙ্গামাটি প্রতিনিধি : ঢাকের বাদ্য, শঙ্খ আর উলুধ্বনিতে (১লা অক্টোবর) ষষ্ঠীতে শুরু হয় সনাতনী সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দূর্গাপূজা। পরের তিন দিন আনন্দের বর্ণিল ছটা ছড়িয়ে যায় সর্বত্র৷
বুধবার (৫ অক্টোবর) সেখানে বাজলো বিষাদের করুণ সুর। সনাতনী শাস্ত্র অনুযায়ী, এবার দেবী দূর্গা জগতের মঙ্গল কামনায় গজে (হাতি) চড়ে মর্ত্যালোকে (পৃথিবী) এসেছেন। এতে প্রাকৃতিক বিপর্যয় ঝড় বৃষ্টি হবে এবং শস্য ও ফসল উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে। অন্যদিকে দুর্গতিনাশিনী দেবী দূর্গা স্বর্গে বিদায় নেবেন নৌকায় চড়ে। যার ফলে জগতের কল্যাণ সাধিত হবে। এরই মধ্যদিয়ে শেষ হলো সনাতনী সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দূর্গাপূজা।
বিজয়া দশমী শেষে বুধবার (৫ অক্টোবর) কাপ্তাই হ্রদে বিসর্জন দেয়া হয়েছে দেবী দূর্গাকে। সন্ধ্যায় রাঙ্গামাটির কাপ্তাই হ্রদের তীরে ‘দূর্গা মা কি, জয়। মহামায়া কি, জয়।’ একের পর এক এমন জয়ধ্বনি, ঢাক-ঢোল, কাঁসর ও ঘণ্টা বাজিয়ে প্রতিমা বিসর্জনের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করা হয়। ভক্তকুলকে কাঁদিয়ে মর্ত্য থেকে প্রস্থান করলেন জগতের দুর্গতিনাশিনী দেবীদূর্গা। নানা আচার অনুষ্ঠানে পূজা অর্চনার মধ্যদিয়ে সার্বজনীন অংশে রাঙ্গামাটিতে শেষ হল সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দূর্গোৎসব। শঙ্খ, ঢাক, ঢোল বাজিয়ে ভক্তরা দেবীর প্রতিমা বিসর্জন দেন।