বাংলা হেডলাইনস রাঙ্গামাটি প্রতিনিধি: রাঙ্গামাটির কাউখালী উপজেলার বেতবুনিয়ায় অবস্থিত পুলিশ স্পেশাল ট্রেনিং সেন্টার (পিএসটিএস) এ বার্ষিক ফায়ারিং প্রশিক্ষণের সময় একজন নারী পুলিশসহ তিনজন গুলিবিদ্ধ হয়েছে।
মঙ্গলবার (১০ জানুয়ারি) সকাল ১১টার দিকে এই ঘটনা ঘটে। ঘটনাস্থলে উপস্থিত প্রশিক্ষণের টিম লিডার সহকারী কমিশনার ডিবি পশ্চিম, সিএমপি মো: তারেক আজিজ ও কাউখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা পারভেজ আলী ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন।
পুলিশ সুত্রে জানা যায়, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের একটি টিম বার্ষিক ফায়ার প্রশিক্ষণের জন্য বুধবার সকালে বেতবুনিয়া পুলিশ স্পেশাল ট্রেনিং সেন্টারে আসে। তারা যথানিয়মে ফায়ারিং প্রশিক্ষণও শুরু করে। চট্টগ্রাম পুলিশ লাইনসের নারী কনস্টেবল নারগিছ আক্তার (৬১৫১) ফায়ারিং শুরু করলে হঠাৎ মাথা ঘুরে পড়ে গেলে তার হাতে থাকা অস্ত্রও ঘুরে যায়। এতে তার হাতে থাকার অস্ত্রের গুলিতে চট্টগ্রামের পাহাড়তলী থানার নারী কনস্টেবল মিনু আরা, (৪৭০৮) বাকলিয়া থানার কনস্টেবল অভি বড়ুয়া (৫১২৬) ও সুমন (৪৪৯৩) শরীরের বিভিন্নস্থানে গুলিবিদ্ধ হয়। তারা তিনজনই চট্টগ্রাম নগর পুলিশে (সিএমপি) কর্মরত রয়েছেন। এদের মধ্যে মিনু আরা নগরের আকবর শাহ থানা এবং অভি বড়ুয়া ও সুমন কান্তি বাকলিয়া থানায় কর্মরত রয়েছেন বলে জানায় পুলিশ।
পড়ে অন্যান্য সঙ্গীয় ফোর্সরা তাদের দ্রুত উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেছে। বর্তমানে তাদের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং তাদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে।
সিরাজগঞ্জে সংঘর্ষে ২৩ জন গুলিবিদ্ধের ঘটনায়
ছাত্রলীগ নেতাসহ গ্রেফতার-৩
সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার বাঐতারা গ্রামে সোমবার সংঘর্ষে ২৩ জন
গুলিবিদ্ধসহ ২৯ জন আহতের ঘটনায় সদর থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
এ ঘটনায় একটি একনালা বন্দুক জব্দ ও ছাত্রলীগ নেতা আরিফসহ ৩
জনকে গ্রেফতার এবং জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ঘটনাস্থল থেকে আরও
দুইজনকে আটক করেছে পুলিশ। গ্রেফতারকৃতরা হলো-বাঐতারা
গ্রামের মোঃ আব্দুল হাইয়ের ছেলে ও সিরাজগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সাবেক
সহ-সম্পাদক আরিফ (৪০) ও একই গ্রামের বুলবুলের ছেলে শাকিল (৩৫) ও
আল মাহমুদের ছেলে সাহেদ (৩৭)। আটকরা হলো-সদর উপজেলার
কাশিয়াহাটা গ্রামের শাহজাহান প্রামানিকের ছেলে ছাব্বির (৩০) ও
রায়গঞ্জ উপজেলা ধানগড়া গ্রামের এশারত প্রামানিকের ছেলে আয়নাল
(২৮)। সিরাজগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ হুমায়ুন
কবির এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, উপজেলা ভ‚মি অফিস থেকে দলিল
উঠানো নিয়ে ওই গ্রামের রুবেল সরকারের সাথে দলিল লেখক আলম
হোসেনের বিরোধ চলে আসছিল। এরই জের ধরে সোমবার দুপুরে ওই ২
জনের মধ্যে ঝগড়া হয় এবং একপর্যায়ে উভয়ের গ্রæপের মধ্যে এ সংঘর্ষ
বেঁধে যায়। এ সংঘর্ষ চলাকালে উভয় পক্ষের লোকজন ব্যাপক ইটপাটকেল
নিক্ষেপ করে। এক পর্যায়ে রুবেল গ্রæপের পক্ষে সাবেক ছাত্রলীগ নেতা
আরিফ তার লাইসেন্স করা বন্দুক দিয়ে এলোপাথারি গুলি ছুঁড়লে ২৩ জনের
হাত-পাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুলিবিদ্ধ হয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে এবং সাবেক ছাত্রলীগ নেতা আরিফসহ
উল্লেখিতদের গ্রেফতার ও আটকসহ একনালা বন্দুকটি জব্দ করা হয়।
আহতদের উদ্ধার করে সিরাজগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট বঙ্গমাতা শেখ
ফজিলাতুন্নেছা মুজিব জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ
ঘটনায় মঙ্গলবার (১০ জানুয়ারি) সকালে ২৫ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত
আরো ১০/১২ জনকে আসামি করে বাঐতারা গ্রামের মোঃ শফিকুল
ইসলাম বাদী হয়ে সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।